123 Main Street, New York, NY 10001

আইপিএলে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল নানা বিতর্ক ও সংশয়। তবে ভারতের ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) স্পষ্ট করে দিয়েছে, বাংলাদেশ কোনো শত্রু রাষ্ট্র নয় এবং মোস্তাফিজের আইপিএল খেলার জন্য কোনও আইনি বা পেশাদার বাধা নেই। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠী মোস্তাফিজের খেলাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিরোধিতা এবং হুমকি দিলেও বিসিসিআই এই বিষয়গুলোকে খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে না। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের কিছুটা অস্থিরতা থাকলেও, খেলাধুলার ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো অপ্রভাবিত। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি হলেও, কূটনৈতিক পরিস্থিতির কারণে মোস্তাফিজের আইপিএল খেলাকে বাধা দেয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করে айтты তারা।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের আইপিএল নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) মোস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপির বিশাল অংকে দলে ভিড়িয়েছে। এই খবরের পর ভারতের কিছু খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেছে, কেউ কেউ দলের বয়কটের ডাক দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যক্তি হুমকি দিয়েছেন, মোস্তাফিজকে ভারতের বিমানবন্দর থেকেও বের করে দেওয়া হবে বলে। তবে বিসিসিআইয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ‘ইনসাইডস্পোর্ট’ কে বলেন, তারা কূটনৈতিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং সরকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এখন পর্যন্ত কোনও নির্দেশ না থাকায় মোস্তাফিজের খেলা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই বলেই জানানো হয়েছে।

বিরোধের মধ্যেও বিসিসিআইয়ের এই পরিষ্কার ও কঠোর অবস্থান ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে স্বস্তি ফেরিয়েছে। এর আগের মৌসুমে মোস্তাফিজ দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছিলেন এবং আসন্ন মৌসুমে কেকেআরের হয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা জোরালো। যদিও ভারতের একাংশ থেকে সমালোচনা ও বয়কটের ডাক আনা হচ্ছে, বিসিসিআই এর বাইরে গিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। ফলে, সব আইনি ও কূটনৈতিক জটিলতা পেরিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান তার কাটার জাদু দিয়ে আবারও আইপিএল মাতাতে সক্ষম হবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বোর্ডটি মূলত পুরস্কৃত করেছে পেশাদারিত্বের মানদণ্ডকে, যেখানে খেলাধুলা ও কূটনৈতিক বিষয় আলাদা রাখার গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *