123 Main Street, New York, NY 10001

গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে ট্রেডের পরিমাণ কমে গেলেও মূলধন বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দুটি কার্যদিবসে বুলিশ প্রবণতা দেখা গেলেও অন্য দুটিতে দরপতন হয়েছে। যদিও এই সময়ে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, যার ফলে বাজারের মোট মূলধন এক হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া মূল্যসূচক ও বৃদ্ধি লাভ করেছে। অপর দিকে, দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৪১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, যা মোট কোম্পানির প্রায় ৬২ শতাংশ। অন্যদিকে, ৪৪টি কোম্পানি দর হারিয়েছে, আর ১০১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে, সপ্তাহের শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষের চেয়ে প্রায় ১ হাজার ৭ কোটি টাকা বা ০.১৫ শতাংশ বেশি। মহাজোটের মূলধনের এই বৃদ্ধি দেখে বোঝা যায় যে, অধিক সংখ্যক কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূল্যসূচকের দিক থেকে ডিএসইএক্স, যা ডিএসইর প্রধান সূচক, সপ্তাহে ৫২ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বা ১.০৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসলামী ভিক্তিতে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক সামান্য ৭ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বা ০.৭৯ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে, বাছাই করা কোম্পানিগুলোর ডিএসই-৩০ সূচক ২২ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ১.২২ শতাংশ বেড়েছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতি কমে গেছে। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৫০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার মতো, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা বা ৭.৪১ শতাংশ কম।

বিএসইতে টাকার অঙ্কে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের শেয়ারে, যেখানে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের প্রায় ৪.৮৬ শতাংশ। এরপর আছেন সায়হান কটনের শেয়ার, যেখানে দৈনিক গড় লেনদেন ১২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, যেখানে গড় লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

এছাড়া, শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় স্থান পেয়েছে- সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, লাভেলো আইসক্রিম, রহিমা ফুড, মুন্নু ফেব্রিক্স, ফাইন ফুড এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *