123 Main Street, New York, NY 10001

গত সপ্তাহজুড়ে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) উল্লেখযোগ্যভাবে প্রাণবন্ত ছিল। বাজারের মোট মূলধন প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা বেড়েছে, যা বাজারের সামগ্রিক աճের প্রমাণ। পাশাপাশি মূল্যসূচকও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইর ৩৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৩০টির দাম বেড়েছে, যেখানে ২২টির দাম কমেছে এবং ৩৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এর ফলে, লেনদেনে অংশ নেওয়া মোট প্রতিষ্ঠানের ৮৫ দশমিক ১৬ শতাংশের দাম বেড়েছে, যা বাজারের সাধারণ ইতিবাচক পরিস্থিতির নির্দেশ।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের তথ্য অনুযায়ী, ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৮૪ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক সপ্তাহে বাজারের মোট মূলধন ২১ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বা দশমিক ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার মূলধনের পাশাপাশি, ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্সও বেড়েছে। গত সপ্তাহে এ সূচক ৭৭ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৪১ দশমিক ৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করেছে, যেখানে আগের সপ্তাহে এটি কমে ১৪১ দশমিক ৫৭ পয়েন্টে নেমে গিয়েছিল।

অপর দুটি সূচকের মধ্যে, ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক গত সপ্তাহে ৯ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা ০.৯৫ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে আগের সপ্তাহে এটি ৩২ দশমিক ০৬ পয়েন্ট বা ৩.০৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

আর, ডিএসই-৩০ সূচক—যা বাছাই করা শীর্ষ কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব করে—গত সপ্তাহে ১১ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বা ০.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের সপ্তাহে এই সূচক কমে গিয়েছিল ৪২ দশমিক ৪৮ পয়েন্ট বা ২.২০ শতাংশ।

বাজারের লেনদেনের গতি ও পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা বা ১.৪৯ শতাংশ বেশি।

লেনদেনে শীর্ষে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার, যার দৈনিক গড় লেনদেন ১৭ কোটি ১ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ০৭ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খান সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার, যার গড় বিনিময় ১৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং।

এজন্য, লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ফাইন ফুডস, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বিডি থাই ফুড, একমি পেস্টিসাইড, মুন্নু ফেব্রিক্স এবং আনোয়ার গ্যালভানাইজিং।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *