123 Main Street, New York, NY 10001

দেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্প, ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এমআরটি লাইন-৬) ব্যয় আরও কমে এসেছে ৭৫৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়ে now ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদিত হয়।

প্রাথমিকভাবে ২০১২ সালে এই প্রকল্পের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার ব্যয়ে। তবে, পরবর্তী সময়ে মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা বৃদ্ধির ফলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকায়। সবচেয়ে সাম্প্রতিক সংশোধনে, সরকারি অংশের ব্যয় কমে ১২ হাজার ৫২১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এলো, আর জাপান সরকারের ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ১৯৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকায়।

প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর মাধ্যমে কাজের মান ও অগ্রগতি বাস্তবায়নে আরও অনেক সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেমের ইনস্টলেশন, টেস্টিং, ডিফেক্ট নোটিফিকেশন, এবং নতুন ট্রেন সেটের লেভেলিং ও সার্ভিসের জন্য এই মেয়াদ বাড়ানো অপরিহার্য বলে জানানো হয়েছে।

এর পাশাপাশি, প্রকল্পে আয়-এর অন্য উৎস হিসেবে ভাবা প্লাজার পরিকল্পনা বাদ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ভূমি অধিগ্রহণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় অনেক কমে এসেছে। মেট্রোরেল-৬ প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল ওহাব জানান, স্টেশন প্লাজাগুলোর অপ্রয়োজনীয়তার কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন বিষয়ক বৈঠকগুলোতে বলে রাখা হয়েছে, এই প্রকল্পটি পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিগত কয়েক মাসে বিভিন্ন বিভাগে বিভিন্ন খাতে খরচে অপ্রয়োজনীয় কাটছাঁট ও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভূমি ও স্টেশন প্লাজা কাজ বাদ দেওয়ায় ব্যয় কমে যেতে থাকে। বর্তমানে উত্তরা-মতিঝিল অংশের কাজ ৯৯.৪০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে গেছে, আর মতিঝিল-কমলাপুর অংশের অগ্রগতি এখন ৬৩.১৫ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *