123 Main Street, New York, NY 10001

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিনটি ম্যাচে জয়হীন ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এসে তারা ফিরিয়েছে নিজেদের ভালো ক্রিকেট। এই ম্যাচে চার গোল করে নিজেকে ইতিহাসের নায়কের মর্যাদা দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাঁর অসাধারণ নৈপুণ্যে স্প্যানিশ জায়ান্টরা অলিম্পিয়াকোসকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে।

ম্যাচের শুরুতেই গ্রিসের ঘরোয়া মাঠে নিজেদের আক্রমণে এগিয়ে যান অলিম্পিয়াকোসের খেলোয়াড়রা। ২০ গজ দূর থেকে নিশানা ভেদ করে গোলের চূড়ান্ত লক্ষ্য নিয়ে প্রথম আক্রমণ থেকেই লিড পান তারা। এরপর মাঠের দখল themselves নিজেকে প্রমাণ করেন এমবাপ্পে।

২২ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বিশাল থ্রু দিয়ে দৌড়ে গিয়ে অলিম্পিয়াকোসের গোলরক্ষক কস্তাস জোলাকিসের পায়ের ফাঁক দিয়ে গোল করেন ফরাসি অধিনায়ক। মাত্র দুই মিনিট পর আর্দা গুলেরের ক্রস থেকে নিচু হেডে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি।

এরপর মাত্র ছয় মিনিট ৪২ সেকেন্ডের মধ্যে ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এমবাপ্পে। রক্ষণভেদ করে দুর্দান্ত ফিনিশে জোলাকিসকে আবারও পরাস্ত করেন তিনি। এই প্রতিযোগিতায় এর আগে কেউ এত দ্রুত হ্যাটট্রিক করতে পারেননি, শুধু লিভারপুলের মোহাম্মদ সালাহর ২০২২ সালে রেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে করা হ্যাটট্রিকটাই তার সঙ্গে তুলনা হয়ে থাকে।

প্রথমার্ধে চোটগ্রস্ত চিকিনহোর বদলি হিসেবে ৫২ মিনিটে মাঠে নামেন মেহদি তারেমি, জোরালো হেডে ব্যবধান কমান। রিয়ালের গোলপ্রহরায় তখন করোনার কারণে অসুস্থতার জন্য ছিলেন থিবো কুর্তোয়া, তার বদলে মাঠে নামে আন্দ্রি লুনিন।

অ্যাওয়ে ম্যাচে আগে সাতবার গ্রিক প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয় কোনোটিই ছিল না রিয়াল মাদ্রিদের। এবার সেই ইতিহাস বদলে গিয়েছে, তার নায়ক ছিলেন এমবাপ্পে। দ্বিতীয়ার্ধে বাম দিক দিয়ে ভিনিসিয়ুসের দারুণ কারিকুরি followed নিজের চতুর্থ গোলটি করেন তিনি। ফলে পাঁচ ম্যাচে তাঁর গোল সংখ্যা এখন নয়টি।

শেষ দিকে নয় মিনিট বাকি থাকতে আয়ুব এল কাবি ব্যবধান কমিয়ে রোমাঞ্চের জন্ম দিলেও, শেষ পর্যন্ত জয় দিয়ে মাঠ ত্যাগ করে রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন তাদের পঞ্চম ম্যাচে চতুর্থ জয়।

অন্যদিকে, এই জয় নিয়ে হতাশ মাঠ ছাড়ছে লিভারপুল। অ্যানফিল্ডে গত বুধবার পিএসভি আইন্দোভেনের কাছে ৪-১ গোলে হেরে নিজেদের দুর্দশা আরও বাড়িয়ে তুলেছে তারা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১২ ম্যাচে লিভারপুলের এখনও পর্যন্ত নয়টি হার, যা ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমের পর তাদের সর্বনিম্ন অবস্থান।

অপর দিকে, বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এগিয়ে গেছে আর্সেনাল, এবং তাদের আসরেও নিজেদের শতভাগ জয়ের রেকর্ড অব্যাহত রেখেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *