123 Main Street, New York, NY 10001

বিশ্ব ক্রিকেটের অঙ্গনে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের দুর্দান্ত প্রসার হাজার বছর ধরেই চলে আসছে। এই লিগগুলোতে проводят নানা রকম ঝলমলিতে ভরা ম্যাচ, দেশি-বিদেশি তারকা খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ, বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দর্শকদের বিচিত্র আগ্রহ। এভাবে আইপিএলের মতো বড় লিগের পথ ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালু হচ্ছে।

তবে এতদিন নিউজিল্যান্ড এই তালিকা থেকে একটু আলাদা ছিল। এখন সেই ব্যতিক্রমটি বদলানোর চিন্তাভাবনাই করছে দেশটি। কিউইরা এখন তাদের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালুর পরিকল্পনা করছেন, যা ২০২৭ সাল থেকে শুরু হবে বলে আশা। এই লিগটি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মডেলেই পরিচালিত হতে পারে। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে একমাত্র ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা হলো সুপার স্ম্যাশ, যা বেশ কয়েক বছর ধরে চললেও আন্তর্জাতিক তারকা না থাকা এবং দর্শকদের কম আগ্রহের জন্য এর গুরুত্ব ক্রমশ কমছে। এর উপেক্ষা করতে না পেরে, এনজেড-২০ প্রকল্পের প্রধান ডন ম্যাককিনন বলেছেন, এখন সময় এসেছে স্বাভাবিক ভাবনা থেকে একটু বাইরে এসে নতুন চিন্তা-বিচার করতে।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নিউজিল্যান্ডকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগী করতে হলে তাদের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালু করতে হবে। এই লিগ মূলত ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মডেলেই পরিচালিত হতে পারে। এই টুর্নামেন্টের লাইসেন্স থাকবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেসি) অধিগ্রহণে, কিন্তু পরিচালনা করা হবে স্বাধীনভাবে।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এখনো এই প্রস্তাবের পক্ষপাতিত্ব দেখায়নি, তবে অনুমোদন পেলে, এই নতুন লিগটি সুপার স্ম্যাশের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে—ম্যাককিননদের বিশ্বাস। ২০১৪ সালে এই ধারণাকে আগে ফিরিয়ে দিয়েছিল এনজেসি, যেখানে তারা মনে করেছিল আইপিএল বা বিগব্যাশের মতো বড় প্রতিযোগিতার সাথে তুলনা করা কঠিন হবে।

তবে ম্যাককিননের মতে, এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। নিউজিল্যান্ডের নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ব্র্যান্ড তৈরির সময় এসেছে। কিংবদন্তি স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের মতো ক্রিকেট ব্যক্তিত্বরা এই বেসরকারি মালিকানার লিগের পক্ষে মত দিয়েছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে এই লিগ মাঠে গড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। গত দুই-তিন মাস ধরে এই প্রকল্পের জন্য নিয়মিত বোর্ডের সঙ্গে আলোচনাও চলছে।

তবে সবচেয়ে বড় আসল সমস্যা হলো সময়সূচি নির্ধারণ। যাতে এই লিগটি বিগব্যাশ, আইপিএল, এসএ২০ কিংবা আইএলটি২০’র সঙ্গে সংঘর্ষ না ঘটে, কারণ বেশিরভাগ কিউই ক্রিকেটার এই লিগগুলোতে নিয়মিত খেলে থাকেন। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে, নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট অঙ্গনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *