123 Main Street, New York, NY 10001

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিধি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের নতুন

ক্ষেত্র তৈরির লক্ষ্যে তুরস্ককে বাংলাদেশে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রদানের

প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। শুক্রবার ঢাকা সফররত তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের

সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ

প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সহজীকরণে মুক্ত বাণিজ্য

চুক্তি (এফটিএ) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা

হয়েছে।

বৈঠক পরবর্তী এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, “আমি

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয়

প্রণোদনা সম্পর্কে অবহিত করেছি এবং তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বেসরকারি ও

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন

যে, বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের সুযোগ নিয়ে টেক্সটাইল,

জাহাজ নির্মাণ, প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং স্মার্ট

প্রযুক্তির মতো খাতগুলোতে তুরস্কের বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে

ঢাকায় একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার জন্য

তুরস্ককে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ড. খলিলুর রহমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার

ব্যক্ত করে বলেন, এই সফর দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করবে। তিনি তুর্কি

সহযোগিতা সংস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ প্রচার ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের

অনুরোধ জানান। এছাড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তুরস্কে বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোরও

আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশি তুরস্কে বসবাস করছেন, যাদের

বড় একটি অংশই শিক্ষার্থী। সহযোগিতা, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগ জোরদার

করার লক্ষে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *