123 Main Street, New York, NY 10001

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের মাইল্ড স্টিল (এমএস) বা রড উৎপাদন পর্যায়ে

সুনির্দিষ্ট কর (ভ্যাট) প্রায় ১০ শতাংশ বাড়ানোর একটি খসড়া প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই বর্ধিত কর

কার্যকর করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই উদ্যোগ দেশের চলমান অবকাঠামো ও আবাসন খাতে বড়

ধরণের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট

শিল্পোদ্যোক্তারা। তাঁদের মতে, এমনিতেই সরকারি-বেসরকারি নির্মাণ কাজে ধীরগতির কারণে

রডের বাজারে চরম মন্দা বিরাজ করছে।

এনবিআর-এর প্রস্তাব অনুযায়ী, রি-রোলেবল স্ক্র্যাপ থেকে তৈরি রডের কর প্রতি টনে ১

হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১৭০ টাকা বৃদ্ধি পেতে পারে। একইভাবে বিলেট ও ইনগট উৎপাদনের

ক্ষেত্রেও ১৫০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি কর আরোপের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এনবিআর-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই পদক্ষেপকে ‘যৌক্তিক ও সময়োপযোগী’ বললেও

ব্যবসায়ীরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মেট্রোসেম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

মো. শহীদুল্লাহ বলেন, “বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভ্যাট বাড়ানোর জন্য উপযোগী নয়।”

তিনি ব্যাখ্যা করেন যে আবাসন খাতের অস্থিরতা ও চাহিদার অভাবে বর্তমানে অনেক মিলকে

উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি করতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বাড়ায় রডের

বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি টনে ৮৫ হাজার থেকে ৯২ হাজার টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে।

এমতাবস্থায় নতুন করের বোঝা সাধারণ মানুষের নিজস্ব বাড়ি নির্মাণের খরচ আরও বাড়িয়ে

দেবে এবং আবাসন শিল্পকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ১২ মিলিয়ন টন স্টিল উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও চাহিদার

সংকোচন ও উচ্চ সুদের হারের কারণে অনেক কারখানা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার

ঝুঁকিতে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *