123 Main Street, New York, NY 10001

বুদাপেস্টের পুসকাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নস লিগের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে

আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে

তুলেছে পিএসজি। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর পেনাল্টি

শ্যুটআউটে নির্ধারিত হয় ম্যাচের ফলাফল। ম্যাচের শুরুতেই ষষ্ঠ মিনিটে কাই হাভার্টজের

গোলে এগিয়ে গিয়েছিল গানাররা, তবে শেষ রক্ষা হয়নি।

ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর দর্শকরা ঠিকমতো থিতু হওয়ার আগেই আর্সেনাল লিড নিলেও

পিএসজি পুরোটা সময় আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। বিপরীতে আর্সেনাল রক্ষণ সামলাতেই বেশি

ব্যস্ত ছিল। প্রথমার্ধে লিড ধরে রাখলেও দ্বিতীয় ভাগে এসে ভুল করে বসেন গানারদের

রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা। ৬২ মিনিটে বক্সে খিচা কাভারাস্কেইয়াকে ফাউল করার অপরাধে

পেনাল্টি পায় পিএসজি, যা থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টি

নেওয়ার সময় আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার সময়ক্ষেপণ নিয়ে মাঠে সাময়িক উত্তেজনা

সৃষ্টি হয়েছিল।

খেলার শেষ দিকে দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৭১ মিনিটে আশরাফ হাকিমির ক্রস

থেকে দেম্বেলে সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। এর কিছুক্ষণ পর কাভারাস্কেইয়ার

একটি দুর্দান্ত শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে আর্সেনাল ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। খেলা

গোলশূন্য অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়ালে দুই কোচই একাধিক পরিবর্তন আনেন। অতিরিক্ত ৩০

মিনিটেও কোনো দল গোল করতে না পারায় টাইব্রেকারে গড়ায় ভাগ্য।

টাইব্রেকারে পিএসজির সার্জিও রামোস ও দুয়ে লক্ষ্যভেদ করেন, অন্যদিকে আর্সেনালের হয়ে

ভিক্টর ইয়োকেরেস গোল করলেও ভুল করে বসেন এজে। নুনো মেন্দেসের শট ঠেকিয়ে রায়া

গানারদের ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শেষ শটটি নিতে আসা গাব্রিয়েল

আকাশলঙ্ঘী শট মারলে আর্সেনালের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। ফলে ইউরোপসেরার

মুকুট নিজেদের কাছেই রাখতে সক্ষম হয় লুইস এনরিকের শিষ্যরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *