123 Main Street, New York, NY 10001

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ থমাস ডুলির অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে

জামাল ভূইয়াদের মাঠের প্রস্তুতি। সোমবার বিকেলে কিংস অ্যারেনায় কোচ হিসেবে প্রথমবার

শিষ্যদের সঙ্গে সময় কাটান এই আমেরিকান। যদিও বসুন্ধরা কিংসের ১০ জন ফুটবলার ক্লাবের

ব্যস্ততার কারণে এখনো ক্যাম্পে যোগ দিতে পারেননি, ফলে অবশিষ্ট ১৬ জন ফুটবলারকে

নিয়েই নিজের প্রথম সেশন পরিচালনা করেছেন ডুলি। মাঠের লড়াই শুরুর আগে দলের সদস্যদের

সামনে নিজের প্রাথমিক পরিকল্পনা ও কোচিং দর্শন তুলে ধরেন তিনি।

অনুশীলনের শুরুতেই ডুলি তার শিষ্যদের স্পষ্ট ও স্বচ্ছ যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব

দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নিজের কোচিং অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি ফিলিপাইনের

একটি বিশেষ ঘটনার উদাহরণ টানেন। সেখানে এক ফুটবলার কোচের নির্দেশনা না বুঝেও

বুঝেছেন বলে দাবি করেছিলেন, যা পরবর্তীতে মাঠের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব

ফেলেছিল। বাংলাদেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, সেজন্য

কোনো কৌশল বা নির্দেশনা বুঝতে সমস্যা হলে তা সরাসরি কোচের কাছে ব্যক্ত করার পরামর্শ

দিয়েছেন তিনি।

মাঠে কৌশলগত অনুশীলনের পাশাপাশি ফুটবলারদের মনোযোগ ও স্কিল বৃদ্ধির দিকেও নজর

দিয়েছেন ডুলি। সাধারণ পাসিং ড্রিল বা স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘চোর-চোর’ খেলার ধরনে

পরিবর্তন এনে তিনি ৫/২ পজিশন গেম অনুশীলনের নির্দেশনা দেন। ডুলির পর্যবেক্ষণ

অনুযায়ী, বাংলাদেশের ফুটবলারদের স্ট্যামিনা বা দৌড়ানোর ক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানের

হলেও তারা প্রায়ই ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আনতে ব্যর্থ হয়। এর প্রধান কারণ হিসেবে

তিনি খেলোয়াড়দের মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা ও ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে করা ছোটখাটো

ভুলগুলোকে চিহ্নিত করেছেন।

মাঠের অনুশীলনের প্রথম দিনটি মূলত পরিচিতি ও প্রাথমিক নির্দেশনার মধ্য দিয়েই

অতিবাহিত হয়েছে। আগামীকাল ডুলির অধীনে দলের দ্বিতীয় সেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে সেই অনুশীলনে বসুন্ধরা কিংসের ফুটবলাররা সময়মতো যোগ দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে

এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি টিম ম্যানেজমেন্ট। দলের পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের পাওয়ার পরই

ডুলি তার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ও বিস্তারিত গেম প্ল্যান নিয়ে পুরোদমে কাজ শুরু করবেন

বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *