123 Main Street, New York, NY 10001

২০২০ সালে শুরু হওয়া নেটফ্লিক্সের অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক-কমেডি সিরিজ ‘এমিলি ইন

প্যারিস’ অবশেষে সমাপ্তির পথে। পরিচালক ড্যারেন স্টার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন

যে, আসন্ন ষষ্ঠ সিজনের মাধ্যমেই এমিলি কুপারের বর্ণিল এই যাত্রার ইতি টানা হবে।

নেটফ্লিক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিরিজের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা বজায় থাকা অবস্থাতেই

তারা এর একটি সফল ও সার্থক সমাপ্তি টানতে চায়, যাতে গল্পের অহেতুক দীর্ঘায়ন না ঘটে

এবং দর্শকদের দীর্ঘদিনের ভালো লাগা অটুট থাকে।

শিকাগোর এক মার্কেটিং ফার্মের কর্মী এমিলি কুপার যখন কাজের প্রয়োজনে এক বছরের জন্য

প্যারিসে পাড়ি জমায়, তখন থেকেই এই সিরিজের গল্পের শুরু। সম্পূর্ণ ভিন্ন সংস্কৃতিতে

নিজেকে মানিয়ে নেওয়া, কর্মক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন এবং ব্যক্তিগত জীবনের জটিল

প্রেম কাহিনী দর্শকদের শুরু থেকেই মুগ্ধ করে রেখেছে। চোখধাঁধানো ফ্যাশন এবং

প্যারিসের নান্দনিক দৃশ্যায়নের কারণে সিরিজটি বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের

কাছে একটি ‘কাল্ট’ বিনোদনে পরিণত হয়েছে।

এমিলি কুপার চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে নতুন পরিচিতি পাওয়া অভিনেত্রী লিলি কলিন্স

সিরিজ শেষের ঘোষণায় কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। তিনি তার ভক্তদের প্রতিশ্রুতি

দিয়ে বলেছেন যে, শেষ সিজনটি হবে আগের সব মৌসুমের চেয়ে অনেক বেশি জমকালো, নাটকীয় এবং

ফ্যাশনেবল। পরিচালক ড্যারেন স্টারও এই প্রোজেক্টটিকে তার জীবনের এক অবিস্মরণীয়

অভিজ্ঞতা হিসেবে অভিহিত করে দর্শকদের একটি অনন্য ও স্মরণীয় সমাপ্তি উপহার দেওয়ার

জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

গত সিজনগুলোতে এমিলির প্রেমজীবন নিয়ে দর্শকদের মনে যে বিশাল কৌতূহল ও জটিলতা তৈরি

হয়েছিল, তার চূড়ান্ত সমাধান মিলবে এই শেষ আসরে। এমিলি কি শেষ পর্যন্ত তার পুরনো

ভালোবাসা গ্যাব্রিয়েলের কাছেই ফিরবে, নাকি আলফির সঙ্গে থিতু হবে, অথবা নতুন প্রেমিক

মার্সেলোর হাত ধরে রোমের উদ্দেশ্যে রওনা হবে—এসব অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার

অপেক্ষায় রয়েছেন কোটি দর্শক। গল্পের এই রোমান্টিক সমীকরণগুলো শেষ সিজনে আরও

জোরালোভাবে ফুটে উঠবে।

বর্তমানে গ্রিসে এই সিরিজের শেষ সিজনের শুটিং পুরোদমে চলছে এবং এরপর মোনাকো ও

প্যারিসের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে দৃশ্যধারণের কাজ সম্পন্ন করা হবে। সবকিছু ঠিক

থাকলে চলতি ২০২৬ সালের শেষের দিকে অথবা ২০২৭ সালের শুরুর দিকে নেটফ্লিক্সে সিরিজটির

প্রচার শুরু হতে পারে। দীর্ঘ সাত বছরের এই যাত্রায় এমিলির জীবনের উত্তরণ শেষ

পর্যন্ত কোন পরিণতি পায়, সেটিই এখন বিশ্বজুড়ে সিরিজপ্রেমীদের কাছে প্রধান আগ্রহের

বিষয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *