123 Main Street, New York, NY 10001

যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতিজনিত উদ্বেগের কারণে আন্তর্জাতিক

বাজারে স্বর্ণের দাম ধারাবাহিকভাবে কমছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে,

মঙ্গলবার স্পট গোল্ডের মূল্য প্রতি আউন্সে ০.৫ শতাংশ কমেছে, যার ফলে বর্তমান বাজার

দর ৪ হাজার ৫৪২ দশমিক ৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত সোমবার মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৪

হাজার ৪৭৯ দশমিক ৫৪ ডলারে নেমে আসে, যা গত ৩০ মার্চের পর থেকে সর্বনিম্ন রেকর্ড।

এছাড়া জুন মাসের ডেলিভারি চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারসের দামও ০.৩ শতাংশ

হ্রাস পেয়ে আউন্স প্রতি ৪ হাজার ৫৪৫ দশমিক ৫ ডলারে থিতু হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বজায় থাকলে ফেডারেল

রিজার্ভ সুদের হার আবারও বাড়াতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ডলারের মান শক্তিশালী হওয়ায়

সাধারণত স্বর্ণের মতো নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যমের আবেদন ও চাহিদা হ্রাস পায়।

আন্তর্জাতিক বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাবের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের বাজারেও

স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন এই

সমন্বয়ের ফলে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার নিচে

নেমেছে। বাজুস জানিয়েছে, ‘ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ’ করা

হয়েছে যা বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।

সংশোধিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪

গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের দাম ২

লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির

স্বর্ণের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা। মূলত বৈশ্বিক অর্থনীতির

অস্থিরতা এবং মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাই মূল্যবান এই ধাতুর বাজারে বড় ধরণের প্রভাব

ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *