123 Main Street, New York, NY 10001

বলিউডের অন্যতম কালজয়ী কমেডি সিনেমা ‘নো এন্ট্রি’র সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের দীর্ঘ

প্রতীক্ষা যেন শেষ হচ্ছেই না। সালমান খান, অনিল কাপুর ও ফারদিন খান অভিনীত সেই মূল

ছবিটি যেমন বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল, তেমনি দর্শকদের হাসির খোরাক জুগিয়েছিল দীর্ঘদিন।

সেই জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ‘নো এন্ট্রি টু’ নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হলেও প্রজেক্টটি

শুরু থেকেই নানা কাস্টিং জটিলতায় পড়ছে। নতুন প্রজন্মের তিন তারকাকে নিয়ে সিনেমাটি

সাজানোর পরিকল্পনা থাকলেও বারবার অভিনেতা বদলে যাওয়ার খবর বর্তমানে বলিপাড়ায়

আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাম্প্রতিক গুঞ্জন অনুযায়ী, অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান আর এই সিনেমার অংশ থাকছেন না। এই

খবরের সত্যতা নিয়ে এখন বিনোদন জগতের অন্দরে জোর চর্চা চলছে। জানা গেছে, বরুণ

বর্তমানে তাঁর আসন্ন সিনেমা ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’-এর প্রচার এবং

অন্যান্য পেশাদার ব্যস্ততা নিয়ে বেশ সময় কাটাচ্ছেন। তাঁর এই ঠাসা শিডিউলের কারণেই

সম্ভবত তিনি ‘নো এন্ট্রি টু’ প্রজেক্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন বলে মনে করা

হচ্ছে। তবে তাঁর এই সরে যাওয়ার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা নিয়ে

নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

কেবল বরুণ ধাওয়ান নন, এর আগে এই সিনেমা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন জনপ্রিয় পাঞ্জাবি

তারকা দিলজিত দোসাঁঝ। তাঁর অনুপস্থিতি মেটাতে নির্মাতারা দ্রুত শাহিদ কাপুরকে

চুক্তিবদ্ধ করেছিলেন। এরপর থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল যে শাহিদ, বরুণ ও অর্জুন কাপুরকে

নিয়েই খুব শীঘ্রই ক্যামেরা চালু হবে। তবে এখন বরুণের বিদায়ে পুরো পরিকল্পনাটি আবারও

ওলটপালট হয়ে গেছে। এই একের পর এক কাস্টিং বিভ্রাটে নির্মাতারা বেশ বেকায়দায় পড়েছেন

এবং ছবির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, কাস্টিংয়ের এই ক্রমাগত পরিবর্তনের কারণে সিনেমার

শুটিংয়ের কাজ আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রযোজক ও পরিচালকরা নতুন করে অভিনেতা খোঁজা

শুরু করেছেন নাকি স্ক্রিপ্টে বড় কোনো পরিবর্তন আনবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বড়

বাজেটের এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বারবার এমন হোঁচট খাওয়ায় এর নির্মাণকাজ শুরু হওয়া নিয়ে

এক ধরণের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বরুণের জায়গায় নতুন করে কোন অভিনেতাকে দেখা যাবে,

তা নিয়ে এখন ভক্তদের মাঝে কৌতূহলের অন্ত নেই।

পুরোনো জনপ্রিয় সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশার পারদ সবসময়ই আকাশচুম্বী

থাকে। তবে মূল শুটিং শুরু হওয়ার আগেই যদি এমন বড় ধরণের রদবদল চলতে থাকে, তবে

সিনেমার মান ও আমেজ ধরে রাখা নির্মাতাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

শুরুতেই যদি এত সমস্যার সৃষ্টি হয়, তবে সেই প্রত্যাশার ভার সামলানো সহজ হবে না বলেই

মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত কোন চূড়ান্ত কাস্টিং

নিয়ে এই রোমাঞ্চকর কমেডি ড্রামাটি পর্দায় হাজির হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *