123 Main Street, New York, NY 10001

দেশের শেয়ারবাজারে দরপতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবারও

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ

প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, যার ফলে নিম্নমুখী হয়েছে প্রধান

মূল্যসূচক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সাতটি কার্যদিবসের মধ্যে ছয় দিনই পুঁজিবাজারে

দরপতন লক্ষ্য করা গেছে এবং একই সঙ্গে লেনদেনের গতিও মন্থর হয়ে পড়েছে।

ডিএসইর লেনদেনের চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে

কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও তা মাত্র এক ঘণ্টা স্থায়ী ছিল। প্রথম ঘণ্টার পর

থেকেই বিক্রয়চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বাড়ার তালিকা সংকুচিত হতে শুরু করে এবং লেনদেনের

শেষ পর্যন্ত এই নেতিবাচক ধারা বজায় থাকে। দিনশেষে ডিএসইতে ১৪৬টি প্রতিষ্ঠানের

শেয়ারের দাম বাড়লেও দর হারিয়েছে ১৮৯টি এবং ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের মূল্য অপরিবর্তিত ছিল।

বিশেষ করে ভালো লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১০২টির দরপতন হয়েছে, যা

বাজারকে মানসিকভাবে চাপে রেখেছে। এছাড়া ‘জেড’ গ্রুপভুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং মিউচুয়াল

ফান্ডের ক্ষেত্রেও সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের দর সংশোধন হয়েছে।

সূচকের বিস্তারিত তথ্যানুযায়ী, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৫

পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২০৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একইভাবে বাছাই করা ৩০ কোম্পানি নিয়ে

গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক দশমিক ৬৫ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

সূচক হ্রাসের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও ২১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা কমে ৭১৪ কোটি ৯৭ লাখে

দাঁড়িয়েছে। আজকের লেনদেনে শীর্ষস্থানে ছিল মুন্নু সিরামিক, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং

এবং বিডি থাই ফুড। এছাড়া লাভেলো আইসক্রিম, এপেক্স ফুটওয়্যার এবং এশিয়াটিক

ল্যাবরেটরিজের শেয়ারও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হাতবদল হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৩ পয়েন্ট

কমেছে। বাজারটিতে অংশ নেওয়া ২০২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টির দাম কমেছে এবং ৭৫টির

দাম বেড়েছে। তবে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ গত দিনের তুলনায় কিছুটা বেড়ে ২০ কোটি ৫১

লাখ টাকায় পৌঁছেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *