123 Main Street, New York, NY 10001

লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে পাহাড়সম রান তাড়া করে আইপিএলে এক অবিশ্বাস্য জয় তুলে

নিয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে লখনউয়ের হয়ে

নিকোলাস পুরান মাত্র ২১ বলে ৬৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যা দলটিকে ৫ উইকেটে

২২৮ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দেয়। পেসারদের জন্য প্রতিকূল এই পিচে লখনউ বড় সংগ্রহের

ভিত পেলেও মুম্বাইয়ের ব্যাটারদের তাণ্ডবে শেষ পর্যন্ত সেই রানও জয়ের জন্য যথেষ্ট

হয়নি।

ইনজুরির কারণে গত পাঁচটি ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকার পর এই ম্যাচেই দলে ফেরেন

মুম্বাইয়ের সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা। আর ফিরেই তিনি নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ

দিলেন। রোহিত এবং রায়ান রিকেলটন মিলে মাত্র ৬৫ বলে ১৪৩ রানের এক চোখধাঁধানো জুটি

গড়ে ম্যাচটিকে লখনউয়ের নাগালের বাইরে নিয়ে যান। রোহিত ৪৪ বলে ৮৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস

খেলেন, যাতে ছিল ৬টি চার ও ৭টি বিশাল ছক্কা।

রোহিতকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার রায়ান রিকেলটন খেলেন ২৫৯ স্ট্রাইক

রেটের এক অবিশ্বাস্য ইনিংস। তিনি মাত্র ৩২ বলে ৬টি চার ও ৮টি ছক্কার সাহায্যে ৮৩

রান করেন। শেষ দিকে নামান ধীরের ১২ বলে ২৩ এবং উইল জ্যাকসের ৪ বলে ১০ রানের ঝড়ো

ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে আট বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মুম্বাই। এটি

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ফ্র্যাঞ্চাইজি ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ তাড়া করে জেতার নতুন

রেকর্ড এবং আইপিএল ইতিহাসের ষষ্ঠ সর্বোচ্চ রান তাড়া।

বড় স্কোরের এই ম্যাচে মুম্বাইয়ের বোলারদের অবদানও ছিল অনস্বীকার্য। প্রায় ৪৬০ রানের

এই ম্যাচে শেষ দিকের ৭ ওভারে মুম্বাইয়ের বোলাররা দারুণ নিয়ন্ত্রণ দেখিয়েছেন।

জসপ্রীত বুমরাহ, দীপক চাহার এবং গজনফারদের মিতব্যয়ী বোলিংয়ে লখনউয়ের রানের গতি শেষ

দিকে থমকে যায়। মাঝের ও ডেথ ওভারে মাত্র ৪২ রান খরচ করার বিষয়টিই শেষ পর্যন্ত জয়ের

ক্ষেত্রে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। ওয়াংখেড়েতে চলতি মৌসুমে এটিই মুম্বাইয়ের প্রথম জয়।

তিন ম্যাচ পর আইপিএলের ১৯তম আসরে এটি মুম্বাইয়ের তৃতীয় জয়। তবে এই রোমাঞ্চকর জয়ের

পরও পয়েন্ট টেবিলের খুব একটা উন্নতি হয়নি পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের। বর্তমানে ৯

ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নবম স্থানে অবস্থান করছে দলটি। প্লে-অফের দৌড়ে টিকে

থাকতে হলে রোহিতের এই ফর্ম এবং বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে লিগের বাকি

ম্যাচগুলোতেও ধরে রাখতে হবে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *