123 Main Street, New York, NY 10001

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এই মৌসুমের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্তে এক ভিন্ন অধ্যায় লেখে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। নিজেদের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে গত সপ্তাহে ২-০ গোলে হেরে প্রথম লেগে পিছিয়ে থাকলেও, স্বাগতিক লিভারপুলের স্বপ্ন হয়তো শেষ হয়নি। কিন্তু এই রাতে, পিএসজির উসমান দেম্বেলের অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর দুটি গোলের জন্যই তারা শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে জিতে দুই লেগের মোট স্কোর ৪-০ হয়ে যায়। এই জয় নিশ্চিত করে পিএসজি কে শেষ চার এর দৌড়ে পাঠিয়েছে, যেখানে এখন তাদের প্রতিপক্ষ হবে রিয়াল মাদ্রিদ অথবা বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথম লেগে জার্মান দল বায়ার্ন ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায়, এই প্রতিযোগিতা এখন আরও জমদানির পথে।

অন্যদিকে, এই হারে লিভারপুলের জন্য ইউরোপিয়ান আসর থেকে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়াতে হয়েছে। ইংলিশ দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধভাবে অ্যানফিল্ডে ফিরে আসার অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিল, কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে গেলেও, পিএসজির কঠোর রক্ষণভাগের জন্য লক্ষ্যভেদ করা কঠিন হচ্ছিল। ম্যাচের মূল মোড় ঘোরে সেই মুহূর্তটি, যখন রেফারি একটি পেনাল্টির নির্দেশ দেয়, তবে ভিএআর পরীক্ষার পরে তা বাতিল হয়। এর ফলে, গোলের সুযোগ হারায় লিভারপুল।

সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্তটি তখন ঘটেছে, যখন ম্যাচের ৭২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দেম্বেলে একটি দারুণ নিচু শটে বল জিওর্গি মামারদাশভিলির গোপন স্থান দিয়ে জালে পাঠান। এই গোল পুরো অ্যানফিল্ডকে স্তব্ধ করে দেয়। এরপর শেষ মুহূর্তে, যোগ করা সময়ে আবারো দেম্বেলে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন, যা দলের বিজয় নিশ্চিত করে এবং লিভারপুলের ইউরোপিয়ান অভিযান শেষ হয়।

বর্তমানে, পিএসজি তাদের আগের অসাধারণ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছে এবং এখন তারা রিয়াল মাদ্রিদ অথবা বায়ার্নের মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে। অন্যদিকে, লিভারপুলের সামনে সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষ পাঁচের মধ্যে অবস্থান ধরে রাখা, যাতে ভবিষ্যতে আবারও ইউরোপে ফিরে আসার সুযোগ পান। এই দুর্বিসহ পরিস্থিতির মধ্যেও, ইউরোপীয় ফুটবলের এই রাতটি সবাইকে এক অনন্য আবেগে ভাসিয়ে দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *