123 Main Street, New York, NY 10001

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের প্রবণতা দেখা গেছে। এই দিন অনেক শেয়ারের দাম কমলেও কিছু কিছু শেয়ারের দাম বাড়লেও মোটের ওপর বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে বিমা খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দর কমার কারণে সামগ্রিক বাজারে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর পাশাপাশি ডিএসইর সূচকগুলোও নিম্নমুখী হয়েছে এবং টাকার অঙ্কে লেনদেনের পরিমাণ কমে গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, লেনদেনের শুরুতে বেশ কিছু বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়তে শুরু করেছিল, যা এক ধরণের ইতিবাচক ভাবনা সৃষ্টি করেছিল। তবে প্রথম ঘণ্টা পার হতেই পরিস্থিতি বা পরিবর্তিত হয়। ধীরে ধীরে বিমা খাতের শেয়ারগুলো দর কমতে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত সূচকের পতন অব্যাহত থাকায় দিনটি নেতিবাচক চিত্রে শেষ হয়।

দিন শেষে ডিএসইতে মোট ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ২১৩টির দাম কমে গেছে। অপরিবর্তিত থাকেছে ৫৪টির। বিমা খাতে ৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়লেও ৫০টির দাম কমেছে, আর ২টির দাম অপরিবর্তিত থেকেছে।

এ কারণে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স মোট ৪১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৩০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে, গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ২১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সূচকের পতনের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও কমে গেছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৮৩৭ কোটি ১০ লাখ টাকার থেকে কম। ফলে একদিনে লেনদেনে প্রায় ৪৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪১ পয়েন্ট কমেছে। এই বাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৪টির দাম বেড়েছে, ৯০টির দাম কমে গেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মোট লেনদেন হয়েছে ৪০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *