123 Main Street, New York, NY 10001

দীর্ঘ দেড় মাসের উপদ্রব এবং উত্তেজনা নিরসনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে। প্রথম দফার শান্তি আলোচনা যা ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তা কোনও চুক্তির পথে না যায়লেও আশা করা হচ্ছে, শীঘ্রই এই দুই দেশ দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবারের মধ্যে উভয় পক্ষ সরাসরি আলোচনায় অংশ নেবে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমন ও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এক স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে থাকছে, তারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সংলাপের সম্ভাব্য সেতুবন্ধন তৈরি করছে। যদিও এখন সরাসরি বৈঠক অস্থায়ীভাবে স্থগিত রয়েছে, তবে মধ্যস্থতাকারীরা দুই দেশকেই পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের শর্ত ও প্রস্তাবনাগুলো নিবিড়ভাবে দেখছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এক বক্তৃতায় বলেন, “ইরান চায় একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে এবং তারা যোগাযোগ করেছে।” একই সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, যে সমঝোতার জন্য দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক গতিশীলতা কাজ করছে। আল জাজিরা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুসারে, নতুন সরাসরি আলোচনা জন্য ইসলামাবাদ বা জেনেভা (সুইজারল্যান্ড) সম্ভবত ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা হচ্ছে। উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী বৈঠকে ইরান তাদের ১০ দফা দাবিনামায় মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার ও নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বিতীয় দফার আলোচনা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতির কিছুটা স্থিতি আসতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *