123 Main Street, New York, NY 10001

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আবারও নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। উয়েফা সম্প্রতি অতিরিক্ত ‘ইউরোপিয়ান পারফরম্যান্স স্পট’ (ইপিএস) অর্জন করায়, পরবর্তী মৌসুমে ইংল্যান্ড থেকে কমপক্ষে পাঁচটি দল সরাসরি এই প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাবে। এই প্রাপ্তির ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের ১-০ ব্যবধানে স্পোর্তিং সিপির বিরুদ্ধে জয়টি ইংলিশ ফুটবল ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গন স্থাপন করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে উয়েফার চলতি মৌসুমের কোয়েফিশিয়েন্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দুই লিগের মধ্যে ইংল্যান্ডের অবস্থান স্পষ্টতঃ নিশ্চিত হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, এটি টানা দ্বিতীয় বছর যখন প্রিমিয়ার লিগের একটি অতিরিক্ত দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। বর্তমান ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার কাঠামো অনুযায়ী, একটি নির্দিষ্ট মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপা লিগ এবং কনফারেন্স লিগে সেরা পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আড়াইটি দেশ মূলতঃ দুটি করে অতিরিক্ত স্পট পায় উয়েফার পক্ষ থেকে। চলতি মৌসুমে ইংলিশ ক্লাবগুলো শুরু থেকেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। এই তিন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া মোট নয়টি ইংলিশ দলই সফলভাবে গ্রুপ পর্ব পার করেছে এবং এখন ৫টি দল কোয়ার্টার ফাইনালে লড়ছে। এর মধ্যে লিভারপুল, আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার সিটি, চেলসি এবং নিউক্যাসেল সরাসরি অংশ নিয়েছিল; তাছাড়া ইউরোপা লিগ জেতার সুবাদে টটেনহ্যাম ষষ্ঠ দল হিসেবে ইউরোপীয় দৌড়ে নাম লেখায়।

আগামী মৌসুমের জন্য প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টিকিট পেতে এখন দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই চলমান। পঞ্চম স্থানের যতটুকু দৌড়, তা এখন মূলতঃ প্রবল প্রতিযোগিতার চেহারা নিয়েছে। বর্তমানে পঞ্চম স্থানে রয়েছে লিভারপুল, যারা ৪৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে চেলসি, মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধানে ষষ্ঠ স্থানে আছে। এছাড়া ব্রেন্টফোর্ড ও এভারটনও খুব কাছাকাছি পয়েন্টের ব্যবধানে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

আংকং করে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের মধ্যভাগ থেকে শীর্ষভাগের মধ্যে লড়াই খুবই তীব্র। ১৩তম স্থানে থাকা দলের সঙ্গে পঞ্চমস্থানে থাকা লিভারপুলের পয়েন্টের পার্থক্য মাত্র ৭। ফলে, আগামী ম্যাচগুলোতে যে কোনও পরিবর্তন বা নাটকীয় রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপীয় দুনিয়ায় ইংলিশ দলের ধারাবাহিক সফলতা কেবল লিগের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্বই বাড়িয়ে তুলছে না, বরং ক্লাবগুলোর জন্য বিশাল আর্থিক সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছে। এখন অপেক্ষা, আগামী মৌসুমে কে হয়ে উঠবে ইংল্যান্ডের পাঁচটি শক্তিশালী দল যারা ইউরোপের সবুজ মঞ্চে নিজেদের সাফল্য ধরে রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *