123 Main Street, New York, NY 10001

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে লিভারপুল পুরোপুরি পরাস্ত হয়েছে প্যারিসের অলরেডদের কাছে। মাঠের আবহাওয়া ছিল চরম উত্তেজনাপূর্ণ, যেখানে প্যারিসের আতিথেয়তা ও গ্যালারির উল্লাস সবাইকে মুগ্ধ করেছে। এক অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী দল হিসেবে পিএসজি তাদের দাপট দেখিয়ে ম্যাচে ২-০ গোলের জয় লাভ করে, যা তাদের সেমিফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার দিক থেকে বড় সুবিধা দিয়েছে। অবিশ্বাস্যভাবে, লিভারপুলের খেলোয়াড়রা এই ম্যাচে খুবই বিবর্ণ ছিলেন, তারা একটিও লক্ষ্যভেদী শট করতে পারেননি, যা দেখিয়ে দেয় তাদের দুর্বল পারফরম্যান্সকে। আলাউ, এই জয়ে পিএসজি আসলে মূলত তাদের শক্তিশালী আক্রমণ ও স্থির মনোভাবের জন্য এগিয়ে যায়। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ছিল পিএসজি, এর ফলে মাত্র ১১ মিনিটে তারা প্রথম গোলটি করে। উসমান দেম্বেলে বল নিয়ে ডি-বক্সে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু বাধাগ্রস্ত হলে আলগা বল পেয়ে জোরে শট দিয়ে গোল করেন দেজিরে দুয়ে। প্রথমার্ধের শেষের দিকেও লিভারপুলের গোলরক্ষক জিওরজি মামারদাশভিলি ছিলেন ব্যস্ততম খেলোয়াড়, অনেক চমৎকার সেভ করে ব্যবধান বাড়তৎ দিচ্ছিলেন না। ৩০ মিনিটের সময় উসমান দেম্বেলে আরও এক সহজ সুযোগের মধ্যে দিয়ে গোল করতে ব্যর্থ হলেও, বিরতিতে পৌঁছানোর জন্য ১-০ ব্যবধানে থাকেন দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুল গুছিয়ে উঠার জন্য চেষ্টা করলেও, পিএসজির রক্ষণ ভাঙা কঠিন ছিল। ৬৫ মিনিটে পর্তুগিজ মিডফিল্ডার জোাও নেভেসের দৃষ্টিনন্দন পাস থেকে বল পান ক্যাভারৎস্খেলিয়া, এবং তিনি খুবই জেদ্দায় ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন। অন্যদিকে, শেষদিকে ইব্রাহিমা কোনাতে ফাউলে পেনাল্টির সিদ্ধান্তও দেওয়া হয়েছিল, তবে ভিএআর পরীক্ষার পরে সেটি বাতিল হলে বড় ব্যবধানে হারের লজ্জায় রক্ষা পান লিভারপুল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পিএসজি ম্যাচে ৭৪ শতাংশ বল দখলে রাখে এবং ১৮টি শটের মধ্যে ৬টি লক্ষ্যভেদ করে। বিপরীতে, লিভারপুল মাত্র ৩টি শট নিতে পারে, যেখানে একটি লক্ষ্যভেদ হয়নি। কোচ আর্নে স্লটের অধীনে লিভারপুল বর্তমানে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সব প্রতিযোগিতায় তারা টানা তৃতীয় হার ভোগ করছে, এর আগেও তারা প্রিমিয়ার লিগে ব্রাইটনের কাছে এবং এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছিল। এই জয় পিএসজির জন্য মানসিকভাবে বড় একটি সুবিধা সৃষ্টি করেছে, কারণ তারা তাদের শিরোপা ধরে রাখার পথে এগিয়ে গেছে। অন্যদিকে, লিভারপুলের জন্য আগামী দিনগুলো কঠিন হতে চলেছে। শেষ চারে যেতে হলে তাদের রিয়েল অ্যানফিল্ডে অন্তত তিন গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। ঘরোয়া টুর্নামেন্ট থেকে এগিয়ে থাকা অবস্থায় এখন তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স লীগটাই, যেখানে তাদের জন্য এখন যে পরিস্থিতি, তা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। দেখা যাক, ফিরতি লেগে তাদের ঘরোয়া পৃষ্ঠপোষক পরিবেশে কি প্যালেস্তা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে কি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *