123 Main Street, New York, NY 10001

দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ উত্তেজনার পর অবশেষে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এই ঐতিহাসিক সমঝোতায় মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে এই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই নতুন এক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। জানা গেছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য আপনি যে ‘ট্রানজিট ফি’ বা টোল আদায়ের দিকটি সামনে আসছে, সেটি ইরান ও ওমানের যৌথ পরিকল্পনা।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, দুই সপ্তাহের এই সাময়িক যুদ্ধবিরতির সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব ধরণের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নির্দিষ্ট হারে ফি আরোপের বিষয়ে তেহরান ও মাস্কাট ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে। এই অর্থগুলো যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়। গোয়েন্দা সূত্র মতে, প্রতিটি জাহাজের পারাপারের জন্য ইরান প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ২৪ কোটি বাংলাদেশি টাকা) দাবি করছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি এই বিশাল অঙ্কের টোল পরিশোধ করেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই আন্তর্জাতিক নৌপথটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে এই রুট দিয়ে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ জাহাজ চলাচল করছে। যদিও ভারত ও পাকিস্তানের মতো কিছু দেশ অর্থনৈতিক দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের পতাকাবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে। এই নতুন টোল ব্যবস্থার আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখন বিশ্লেষকদের রীতিমতো চুলচেরা পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *