123 Main Street, New York, NY 10001

ইসরায়েলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে, যা গোটা বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা। রোববার আলজাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, ড্রোন ও ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দরটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় বিভিন্ন ধরনের উন্নত ড্রোন ও ক্লাস্টার মিসাইলের ব্যবহার করা হয়, যা হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

এছাড়াও, একই সময়ে বিমানবন্দরে একটি বিপজ্জনক পদার্থ সংক্রান্ত ঘটনার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয় ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানায়, এক স্থান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়, যা থেকে মনে করা হচ্ছে কোনও খবরে উল্লেখিত ‘হ্যাজার্ডাস ম্যাটেরিয়াল’ বা বিপজ্জনক পদার্থ থাকতে পারে। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় এবং সকল কর্মীকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞ দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ব্যস্ত রয়েছেন এবং তারা পদার্থের প্রকৃতি শনাক্ত করে নিরাপদে অপসারণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অপরদিকে, ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত একটি বিমানের পাইলটের উদ্ধারে বিশেষ উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সগুলো। এই ব্রিফিং অনুযায়ী, অভিযানের সময় ইরানের সৈন্যদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রোববার আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, কোহগিলুয়েহে তাঁরদাশত শহরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে দুই দিন আগে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। মার্কিন বাহিনীর উদ্ধার অভিযানের মাঝেই এই সংঘর্ষ হয়।

প্রাথমিক হিসেবে, এ হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয় এবং একজন আহত হন। তবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি, অনেকে নিশ্চিত করেছেন যে কিছু স্থানে সংঘর্ষের খবর মিললেও তার আনুষ্ঠানিক সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। এই পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত জটিল ও সংকটময় অবস্থা বজায় রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *