যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ভবন হোয়াইট হাউজে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার
টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’- এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। বিএনপির মিডিয়া সেল জানায়,
বুধবার ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউজে এই অনুষ্ঠান হয়। এই সম্মেলনে বিশ্বের ৪৫টির
অধিক দেশের ফাস্ট লেডি ও রাষ্ট্র নেতাদের সহধর্মিণী অংশগ্রহণ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র
দপ্তরে এ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তার আমন্ত্রণেই জুবাইদা রহমান দুই
দিনের সম্মেলনে অংশ নেন। তার সঙ্গে প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক সার্জন শাহ মুহাম্মদ
আমান উল্লাহ এবং ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান।
মিডিয়া সেল জানায়, বুধবার সকালে হোয়াইট হাউজে মার্কিন ফার্স্ট লেডি ও সম্মেলনের
আয়োজক মেলানিয়া ট্রাম্প জুবাইদা রহমানসহ আগত সব অতিথিদের স্বাগত জানান। জুবাইদা
রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ফাস্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে দুই নেত্রী শিশুদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার জন্য একমত হন। এ ধরনের
গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন আয়োজনের জন্য মেলানিয়া ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জুবাইদা
রহমান।
সমাপনী অনুষ্ঠানের আগে যুক্তরাষ্ট্রের ফাস্ট লেডি ছাড়াও বিভিন্ন দেশের ফার্স্ট লেডি
ও রাষ্ট্রনেতাদের সহধর্মিণীদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশলাদি বিনিময় করেন
জুবাইদা রহমান।
গত ২৩ মার্চ ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিটে’ যোগ দিতে ঢাকা
ছাড়েন জুবাইদা রহমান। লন্ডন যাত্রা বিরতি করে তিনি যুক্তরাষ্ট্র যান। পরে ডা.
জুবাইদা ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার: গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’ শীর্ষক সম্মেলনের
সমাপনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে, গত মঙ্গলবার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। তার বক্তব্যে শিশুদের
জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ ও উদ্যোগের
কথা তুলে ধরেন।
বিএনপির মিডিয়া সেল জানায়, সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্বনেতাদের প্রতিনিধিরা
বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞতার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং শিশুদের কল্যাণে
বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের পক্ষে জুবাইদা রহমানের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। সাক্ষাৎকারে
জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞানার্জন এবং বিশ্বের সব
শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য অন্যান্য ফার্স্ট লেডি ও স্পাউসদের সঙ্গে
অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
সম্মেলনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ১১টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের
অংশগ্রহণে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে শিশুদের শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন
উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও প্রয়োগ উপস্থাপন করা হয়। জুবাইদা রহমান এই প্রদর্শনী পরিদর্শন
করেন।