123 Main Street, New York, NY 10001

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত এক অত্যন্ত ভয়াবহ ও চরম সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই বিশাল এলাকায় ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি লড়াই শুরু হওয়ার ফলে পরিস্থিতি আরো গুরুতর হয়ে উঠেছে, যা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

এই সংঘাতের সূচনা হয় শুক্রবার ভোরে, যখন ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে ইসরায়েল ও মার্কিন বিমান বাহিনী একযোগে হামলা চালায়। এর উত্তরে, ইরানও প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক মিসাইল হামলা করে।

কাতারভিত্তিক সংবাদসংস্থা আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাহরাইন, কুয়েত, আবুধাবি ও দুবাইয়ের পর এখন সৌদি আরবের রিয়াদেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে দেশের উত্তরাঞ্চলের কিছু অঞ্চলকেও আঘাত হেনেছে।

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, দেশটির মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম নৌবহরের সদর দপ্তর সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাহরাইনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইরানে চলমান এই সামরিক অভিযান নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি এক পূর্বনির্ধারিত হামলা, যা ইসরায়েল-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, “ইরানের বিরুদ্ধে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে, যাতে ইসরায়েলি জনগণকে হুমকি থেকে মুক্তি দেওয়া যায়।”

অন্যদিকে, ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট, জোমহুরি এলাকাসহ কেরমানশাহ, লোরেস্টান, তাবরিজ, ইসফাহান এবং কারাজের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এই সব ঘটনা এখন মধ্যপ্রাচ্যকে এক অস্থিরতাপূর্ণ ও দুনিয়াজুড়ে এক বিভীষিকাময় যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *