123 Main Street, New York, NY 10001

দেশের প্রধান দুটি পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে সূচকের উল্লেখযোগ্য উল্লম্ঝন দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও, সেই সময়ে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৩১ শতাংশ কমে গেছে। পূর্ববর্তী সপ্তাহের তুলনায় বিনিয়োগকারীরা কম পরিমাণে শেয়ার হাতবদল করেছেন, যা বাজারে কিছুটা অনিশ্চয়তা ও সতর্কতার জন্ম দিয়েছে।

বাজারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স শেষ হয়েছে ৫ হাজার ৬০০ পয়েন্টের কাছাকাছি, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৩৪ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি। পাশাপাশি, ডিএসই-৩০ এবং শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস-ও উন্নতির দিকে রয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টির মধ্যে ২৭৪টির শেয়ার দর বেড়েছে, ৮৩টির দর কমেছে এবং ৩২টির দাম অপরিবর্তিত থেকেছে।

বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে সৃষ্টি হওয়া অনিশ্চয়তা সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা সতর্কতা বাড়িয়েছিল, তবে সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিশেষ করে ব্যাংক খাতের শেয়ারে বিপুল ক্রয়চাপ সূচকের উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আন্তর্জাতিক স্বাভাবিকতা ফিরতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিল নীতিতে শিথিলতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে, ফলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

লেনদেনের চিত্র বলছে, গত পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে প্রায় ৭২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৩০ দশমিক ৯৭ শতাংশ কম। ব্যাংক খাতের শেয়ারে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ দখল করে রয়েছে। এরপর আসে ওষুধ ও রসায়ন ও খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত।

মোটামুটিভাবে, বিগত সপ্তাহে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন দিয়ে শীর্ষে থাকলেও, করপোরেট বন্ড এবং বিমা খাতে কিছু নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রামের পুঁজিবাজার সিএসই এর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১ দশমিক ৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ হাজার ৫৯৭ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সিএসইর প্রধান সূচকটি আগের সপ্তাহের তুলনায় ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *