123 Main Street, New York, NY 10001

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রেখে দেশের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি বাংলার গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে বন্ধ হওয়া শিল্পকারখানা দ্রুত পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ বুধবার নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এ সময় ডেপুটি গভর্নর ও ব্যাংকের বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁকে স্বাগত জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, ‘আগে কাজ, পরে কথা।’ এরপর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সাথে এক বৈঠক করেন এবং পরে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে যান।

বৈঠক-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র জানান, অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানে অনুকূলে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেবে। সুদহার হ্রাসের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। গত আধা বছর ধরে বন্ধ থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার জন্য নীতিমালা, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়। এর ফলে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন গভর্নর।

আরিফ হোসেন খান আরও জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার যেখানে বিনিয়োগের জন্য প্রতিবন্ধক, সেই বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

গভর্নর আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি নিয়মভিত্তিক ও বৈষম্যহীন করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। কাজের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *