123 Main Street, New York, NY 10001

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ইসরায়েল গেছেন, যা তার দ্বিতীয় ইসরায়েল সফর। এই সফরে তিনি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে এক বিশেষ ভাষণ দেবেন, যা দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার চূড়ান্ত প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জানা গেছে, এই সফর পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। গত সপ্তাহে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মোদিকে তার ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে এই সফরের কথা জানান। ২০১৭ সালে ভারতের ঐতিহাসিক সফর অনুযায়ী, প্রযুক্তি, কৃষি, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলের অস্ত্র রপ্তানির বড় অংশ ভারতই কিনে নিয়েছে, যেখানে মোট রপ্তানির প্রায় ৩৪ শতাংশই ছিল ভারতের ক্রয়। আর যুক্তরাষ্ট্রের অবদান ছিল ওই পরিমাণের ১৩ শতাংশ। এই নির্ভরতা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককেও আরও দৃঢ় করে তুলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির এই সফর আরও ব্যাপক ও গভীর সম্পর্কের সূচনা হবে, যেখানে শীর্ষ নেতারা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। তবে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জনমত এই সফর নিয়েও বিভিন্ন মতামত জমা দিয়েছে। এক পক্ষ বলছে, এই যোগাযোগ দেশের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য, অন্যরা একে মধ্যপ্রাচ্যের নাটকীয় ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখার প্রয়াস হিসাবে দেখছেন। এই সম্পর্ক কেবল অস্ত্র কেনাকাটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদারিত্বের অংশ। ২০১৮ সালে নেতানিয়াহুর ভারত সফরেও নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে। এখন আন্তর্জাতিক স্তরে নজর রয়েছে মোদির নেসেটে ভাষণের দিকে, যেখানে ভারতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা তুলে ধরা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই সফর ভারতের দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্ব কূটনীতিতে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *