123 Main Street, New York, NY 10001

মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ২০২৬ মৌসুমের প্রথম ম্যাচে হারার পর আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসিকে কেন্দ্র করে নতুন এক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টার মিয়ামির এই অধিনায়ককে রেফারিদের কক্ষে জোরপূর্বক প্রবেশের ব্যাপারে অভিযোগ ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর সূত্র ধরে এই আলোচনা শুরু হয়। তবে তদন্তের মাধ্যমে জানা গেছে, মেসি কিছু নিয়ম ভাঙেননি।

বিতর্কের মূল উপজীব্য ছিল ‘সিনতেসিস দেপোর্তেস’ নামে একটি মিডিয়ার প্রকাশিত ভিডিও। যেখানে দেখা যায়, হারের পর ক্ষোভে উজ্জ্বল মুখে মেসিকে সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ একটি কক্ষে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর সুয়ারেজের হাত থেকে হাত ছাড়িয়ে, মেসি ওই কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কিছুক্ষণ পরে ড্রেসিংরুমের দিকে ফিরে যান। এই ভিডিও দেখে অনেকেই মনে করেন, মেসি রেফারিদের ওপর চড়াও হওয়ার জন্য তাঁদের কক্ষে ঢুকেছিলেন।

সংবাদমাধ্যমের খবরের জের ধরে এমএলএস কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে তদন্ত চালায়। এক বিবৃতিতে তারা জানান, ভিডিওতিতে দেখা দরজা আসলে রেফারিদের কক্ষ নয়। মেসি কোনো নিষিদ্ধ স্থানে প্রবেশ করেননি এবং কোনো নিয়মও লঙ্ঘন করেননি। ফলে, তাকে কোনও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে না।

উল্লেখ্য, এমএলএসে রেফারিদের কক্ষে প্রবেশের বিষয়টি সর্বদা গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। ২০২৩ সালে এই ধরনের অভিযোগে ফুটবলার ম্যাট মিয়াজগাকে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে মেসির ক্ষেত্রে এই ঘটনা ভুল ব্যাখ্যার কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল বলে প্রমাণিত। অতীতে, মেসি অল-স্টার ম্যাচে অংশ না নেয়ার জন্য একবার নিষিদ্ধ হয়েছিলেন এবং নিয়ম ভঙ্গের জন্য জরিমানাও করা হয়েছিল। এই ঘটনা সত্য হিসেবে প্রমাণিত হলে, তাকে আরও দীর্ঘ মেয়াদে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হত।

মাঠের লড়াইয়ে মৌসুমের প্রথম ম্যাচটি ইন্টার মিয়ামির জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। তারা লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির কাছে ৩-০ গোলে বড় ব্যবধানে হেরে যায়। প্রান্তিক গ্লানি এবং এই বিতর্কগুলো পেছনে ফেলে, ক্রিকেটের ভক্তরা আশা করছেন, মাঠের বাইরের এই কাণ্ড শেষ হওয়ায় মেসির মনোযোগ এবার পুরোপুরি খেলায় কেন্দ্রীভূত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *