123 Main Street, New York, NY 10001

মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মাধ্যমে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কিছুটা হলেও সীমাবদ্ধ করে দিলেও, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে আগের সিদ্ধান্তের গনভারে রাখলেন। শনিবার তিনি ঘোষণা করেন, তিনি তাঁর শুল্ক নীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশকে অবৈধ ঘোষণা করার আর একদিনের মধ্যেই আমদানির ওপর বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে উন্নীত করেছেন। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে, তিনি এখনও তাঁর বাণিজ্য নীতিতে অটল থাকছেন এবং আগের মতোই শক্তির সঙ্গে পদক্ষেপ চালিয়ে যাবেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সব পণ্যই এখন থেকে নতুন এই শুল্কের আওতায় আসবে। এর আগে শুক্রবার একটি আদালত তাঁর শুল্ক আরোপের ক্ষমতার এক অংশকে বৈধ ঘোষণা করে, তবে অন্য কিছু অংশ বাতিল করে দেয়। এই আদালতের রায়ে ট্রাম্প তাঁর শুল্ক নীতির প্রতি আগের মতোই মনোভাব প্রকাশ করে, এটিকে “চরম আমেরিকা-বিরোধী সিদ্ধান্ত” আখ্যায়িত করেন। তিনি তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, রায়ের বিশ্লেষণের পর প্রশাসন এখন আইনের সীমা অতিক্রম না করে, অনুমোদিত ও পরীক্ষিত ১৫ শতাংশ শুল্ক স্তরে ফিরে যাচ্ছেন।

১৯৭৭ সালের অর্থনৈতিক জরুরি ক্ষমতা আইনের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা নিয়ে আদালত ৬-৩ ভোটে এক রায় দেয়, যেখানে এই ক্ষমতা নাকচ করে দেওয়া হয়। এর ফলস্বরূপ, ট্রাম্প প্রথমে ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের ঘোষণা দেন, যা এখন ১৫ শতাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রায়ের পর ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকা রক্ষণশীল বিচারপতিদের ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন এবং তাঁদের “অকৃতজ্ঞ” ও “বোকা ও আজ্ঞাবহ” বলে সমালোচনা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আদালত তাঁর পক্ষে থাকলেও, এবার এই সিদ্ধান্তটি স্পষ্ট বিরোধিতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এটি দেশের বাণিজ্যনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় ধরণের রাজনৈতিক ধাক্কার সৃষ্টি করেছে।ক এটির ফলে, এখন মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্পের নতুন করে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে তাঁর বাণিজ্য যুদ্ধের কৌশল অব্যাহত রেখেছেন, যা উভয় পক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য কাজে লাগাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *