123 Main Street, New York, NY 10001

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় কার্যদিবসে, তিনি দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবস্থাপনার জন্য উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে তার নতুন দাপ্তরিক কার্যালয়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ এই সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন উপস্থিত ছিলেন। তারা দেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

প্রথমে সকালে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে পৌঁছালে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। এরপর তিনি সকাল সাড়ে ৯টায় দেশের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই ও বিকেল সাড়ে ১০টায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) প্রধানের সঙ্গে পৃথক আলোচনাসভায় অংশ নেন। মূল বৈঠকটি শুরু হয় বেলা সাড়ে ১০টার দিকে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম-shamshu ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকগুলোতে দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিকায়ন পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে তাঁদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের অবদান বাড়ানোর আহবান জানান। পাশাপাশি, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।

সূত্র মতে, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী এখন বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক এবং পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচিতে মনোযোগী হচ্ছেন। বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সভাপতিত্ব করেন, যেখানে নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়। বিকেলে সেটির পাশাপাশি তিনি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে দেশের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা এবং নদী, খাল ও জলাধার খননের উচ্চাভিলাষী একটি জাতীয় কর্মসূচির বাস্তবায়ন বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও তার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ বর্তমানে সংস্কারাধীন থাকায় তিনি সচিবালয় থেকেই দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ক্ষমতার এই পরিবর্তনকালীন সময়ে, প্রধানমন্ত্রীর এই তদারকি ও নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের দ্বিতীয় দিনের কার্যদিবস ছিল দেশের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের স্বার্থে এক গুরুত্বপূর্ণ ও কর্মমুখর সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *