123 Main Street, New York, NY 10001

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি খাতে অসাধারণ উন্নয়ন ও জাপানের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব এই অঞ্চলের শেয়ার বাজারকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণ বলছে, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের শক্তিশালী শেয়ারবাজারের ধারা কেন্দ্র করে এমএসসিআই এশিয়া-প্যাসিফিক সূচকটি গত বৃহস্পতিবার দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে নতুন রেকর্ড গড়িয়েছে। এই বছর প্রথম ছয় সপ্তাহে এই সূচক প্রায় ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি লাভ করেছি, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

জাপানের জাতীয় নির্বাচনে সানায়ে তাকাইচির সফল বিজয় দেশটির শেয়ার বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই ফলাফল মূলত তার নির্বাচনি প্রচারণায় দেওয়া অর্থনৈতিক শিথিলতার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। বিশ্লেষকদের মতে, তাকাইচি সরকারের আরও দায়িত্বশীল ও অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছমুখী আচরণ প্রত্যাশিত হওয়ায় মুদ্রাবাজারে ইয়েন এক সপ্তাহে ২.৭ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে। এই বিজয় দেশের অর্থনৈতিক নীতিতে দৃঢ়তা আর স্বচ্ছতা আনবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা, যা বিরোধীদের সঙ্গে সমঝোতার প্রয়োজনীয়তাও কমিয়ে দেবে।

অপরদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের দ্রুত উন্নতি বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন দিক-দর্শন সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, দেশের বেকারত্বের হার কমে আসছে এবং কর্মসংস্থান অনেকটাই গতিশীল। এ কারণে আসন্ন ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা কিছুটা পিছিয়ে গেছে। এর প্রভাব সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে, পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারির দুই বছরের রিটার্ন একদিনে ৫.৮ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে ৩.৫০৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত অক্টোবরের পর এক দিনের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি।

এছাড়া, ইউরোপীয় সূচকগুলোও একটি আশাব্যঞ্জক সূচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে নতুন আর্থিক প্রতিবেদনের মৌসুমে বিনিয়োগকারীরা করপোরেট কোম্পানিগুলোর মুনাফা নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করছে। সার্বিকভাবে, মার্কিন কর্মসংস্থান ও জাপানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে। ডলারের আধিপত্য এবং জাপানি ইয়েনের শক্তিশালী অবস্থান একান্তভাবে মুদ্রাবাজারে একটি ভারসাম্য বজায় রেখেছে, যার ফলস্বরূপ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো হয়েছে বৈশ্বিক শেয়ার সূচকগুলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *