123 Main Street, New York, NY 10001

বাংলাদেশ ব্যাংক উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের বিদ্যমান পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করে नया পরিচালনা পর্ষদ গঠন করেছে, যা মূলত ঋণ অনিয়মের কারণে কোম্পানির অর্থনৈতিক সংকটের কারণে করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি যাচাই করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ২০১৯ সালের পর থেকে উত্তরা ফাইন্যান্স নিয়মিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। তবে গত বছরের ৬ অক্টোবর প্রকাশিত ২০২০ সালের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২০ সালের শেষে কোম্পানির সুদ বাবদ লোকসান ছিল ৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকা, এবং ওই বছরে পরিচালন লোকসান হয়েছে ১০৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। সব ব্যয় মিটিয়ে কোম্পানিটির পরিশেষে করপরবর্তী নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ৪৩৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। মূল্যায়নের ফলাফলে দেখা যায়, কোম্পানির মূলধন ঘাটতি ৭১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা, যার মধ্যে যোগ্য মূলধনের ঘাটতি ৫৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ভিত্তিক মূলধনের ঘাটতি ৬৫২ কোটি ২১ লাখ টাকা। এই দুর্বল অর্থনৈতিক ভিত্তির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই কঠোর পদক্ষেপ নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানটির শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আসা যায়, পাশাপাশি আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিত করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কোম্পানিটি এই তথ্য নিশ্চিত করে। 새 পরিচালনা পরিষদে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মুখতার হোসেন, যার সঙ্গে রয়েছেন মোহাম্মদ শাফিউল আজম, মো. নিয়ামুল কবির এবং মো. রফিকুল ইসলাম (এফসিএস)। এছাড়া আরেকজন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মাহবুব আলম। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই নতুন পরিচালনা পর্ষদ উত্তরা ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আবার শৃঙ্খলা ফিরে পাবে এবং সাধারণ বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *