123 Main Street, New York, NY 10001

পাল্লেকেলেতে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলংকাকে বৃষ্টির বাধা অমান্য করে ১১ রানে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে সফরকারী ইংল্যান্ড। এই অসাধারণ জয়ের প্রধান কারিগর ছিলেন ইংলিশ পেসার স্যাম কারান, যিনি বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করে এক বিশেষ স্থানে উঠে এসেছেন। অংগানে একের পর এক দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে ওয়ানডে সিরিজে যেমন ইংল্যান্ড বড় রকমের প্রভাব ফেলেছিল, একই ধারায় তাদের কুড়ি ওভারের ক্রিকেটেও আধিপত্য ধরে রাখে।

বৃষ্টির কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে ১৭ ওভারে নামানো হয়। ব্যাটিং শুরু করে শ্রীলংকানরা ইংলিশ বোলারদের ধারালো আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে। বিশেষ করে আদিল রশিদ ও লিয়াম ডসন বল হাতে দারুণ বোলিং করে নীল করে দেয় লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের। আদিল রশিদ মাত্র ১৯ রান খরচায় ৩টি উইকেট শিকার করেন, আর লিয়াম ডসন ৩১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন, যার ফলে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার দ্রুত গুটিয়ে যায়। ইনিংসের এক পর্যায়ে স্যাম কারানের বিধ্বংসী বোলিংয়ে হ্যাটট্রিক তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কার বড় সংগ্রহের স্বপ্ন উড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত, নির্ধারিত ১৭ ওভারে তারা ১৩৩ রানে অলআউট হয়।

১৩৪ রান লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুই ছিল বেশ অনুকূল। ওপেনার ফিল সল্ট ৩৫ বলে ৪৬ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে ইশান মালিঙ্গার বলে সগর্বে চারটি চার হাঁকিয়ে শ্রীলঙ্কার ঘোর অন্ধকার ভেঙ্গে দেন অধিনায়ক জস বাটলার, যদিও সেই ওভারে তিনি বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। মিডল অর্ডারে টম ব্যান্টন বেশ আক্রমণাত্মক থাকেন; তিনি হাশারাঙ্গার এক ওভারে দুটি বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে রানের গতি রাখেন।

যখন ম্যাচের শেষদিকে ইংল্যান্ড জয়ের খুব কাছাকাছি ছিল, তখনই আবার পাল্লেকেলেতে শুরু হয় ভারী বর্ষণ। খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল এমন অবস্থানে, যা বৃষ্টির কারণে তাদের নির্দেশিত লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে। তখন জয়ের জন্য ইংলিশদের প্রয়োজন ছিল ১২ বলে মাত্র ৯ রান। কিন্তু বৃষ্টির অতিবর্ষায় খেলা আর মাঠে গড়ানো সম্ভব নয় দেখে দ্রুত ম্যাচ সমাপ্তি ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে, ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে ১১ রানে এগিয়ে ঘোষণা করা হয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে এই সিরিজে এই জয় ও স্যাম কারানের দুর্দান্ত ছন্দ ইংল্যান্ডের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, এই হারের পরে ঘরোয়া মাঠে শ্রীলংকা তরুণ দলটি পরবর্তী ম্যাচে নতুন উদ্যমে লড়াই করবে নিশ্চিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *