123 Main Street, New York, NY 10001

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় শিক্ষা উপকরণে স্টলে শিক্ষার্থীদের বিপুল উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মেলার সময় যতই এগিয়ে চলছে, ততই শিশু, কিশোর ও শিক্ষার্থীদের চলাচল বাড়ছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা সহজেই কারও সহায়তা ছাড়া বিজ্ঞানবাক্সের মাধ্যমে পাঠ্যবইয়ের বিজ্ঞান বিষয়ক পরীক্ষাগুলো অনুসন্ধান, গবেষণা ও তথ্য পরীক্ষা করতে পারছেন। এই কারণে, শুধু সাধারণ শিক্ষা উপকরণই নয়, বিজ্ঞানবাক্সের চাহিদাও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশুরা এখন মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবহারে নির্ভরশীল হয়ে পড়লেও, এতে তাদের চিন্তাশক্তি সেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না। তবে, যদি তারা খেলাধূলার পাশাপাশি বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো খেলতে খেলতে শেখে, তাহলে তাদের চিন্তার উন্নতি হবে।

রূপগঞ্জের আব্দুল হক ভুঁইয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক দিপু রহমান বিজয় ও আমির হোসেন মেলায় আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে এভাবেই বিজ্ঞানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসামগ্রী ও বিজ্ঞানবাক্সের স্টলে নিয়ে আসেন। এই স্টলে শুধু তাদের স্কুলের শিক্ষার্থীরাই নয়, অন্যান্য স্কুলের শিশু-কিশোররাও ব্যাপক আগ্রহে ভিড় জমাচ্ছেন।

মেলায় দেখা গেছে, চুম্বকের ২৬টি মজার খেলনা, ক্যাপ্টেন কিউরিয়াসের দুটি মজার সায়েন্স গেম, তড়িৎ, তাপ ও আলোর ২০টি আকর্ষণীয় খেলা, প্রাচীন চিনা পাজল গেম ট্যানট্রাম, ২০টি ফোকাস চ্যালেঞ্জ, রসায়নের ২০টি রহস্যময় খেলা, অদ্ভুত মাপজোখ, শব্দকল্প, স্মার্টকিট ও বৈজ্ঞানিক চিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন আধুনিক বিজ্ঞানবাক্স বিক্রি হচ্ছে। মহাকাশ ও সৌরজগত সম্পর্কিত নতুন বিজ্ঞানবাক্স ও ক্লাসভিত্তিক পঞ্চম শ্রেণির ২৭টি এক্সপেরিমেন্ট শিশুদের মোহিত করছে। শিশুদের হাতে হাতে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন হচ্ছে। বিজ্ঞানবাক্সের পাশাপাশি মেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণের স্টলেও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শিক্ষা উপকরণ বিক্রয়কারী নাসিমা ইয়াসমিন জানান, ‘সাত থেকে ষোলো বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহার করতে পারলেও, চার থেকে ছয় বছর বয়সী কৌতূহলী শিশুরাও এতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। বয়স ও শ্রেণি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের বাক্স তৈরি করা হয়েছে। মেলার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই প্যাভিলিয়নে ভিড় এবং বিক্রিও যথেষ্ট।

মেলার ইজারাদার, ডি জি ইনফোটেক লিমিটেডের অপারেশান ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম হৃদয় বলেন, ‘স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিশু এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য টিকেটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা। তবে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও আহত ব্যক্তিরা কার্ড দেখিয়ে বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারছেন।’

উল্লেখ্য, দৈনিক সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলার এই মেলা সাপ্তাহিক ছুটির দিন রাত ১০টা পর্যন্ত চলে। এবারে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *