123 Main Street, New York, NY 10001

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে একটি ভয়াবহ নৌ দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৮ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভোররাতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকার্য পরিচালনাকারী কোস্টগার্ড ও স্থানীয় দলগুলো এখন পর্যন্ত ৩১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এই তথ্য নিয়ন্ত্রণকারী ফিলিপাইন কোস্ট গার্ড (পিসিজি) নিশ্চিত করেছে।

উদ্ধারসূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, ‘এমভি ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামে ওই যাত্রীবাহী জাহাজটি জাম্বোয়াঙ্গা থেকে সুলু প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে এই জাহাজটি গন্তব্যে পৌঁছানোর খানিক আগে সাগরে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় জাহাজে মোট ৩৫৯ জন আরোহী ছিল, যাদের মধ্যে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু সদস্য। যদিও এটি অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ছিল ৩৫২ জন, অর্থাৎ ধারণক্ষমতার চেয়েও কিছু বেশি মানুষ বহন করে এই জাহাজ।

সাউদার্ন মেয়ানদানাও ডিস্ট্রিক্টের কোস্ট গার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া এক প্রতিবেদনে বলেন, সুন্দর এবং শান্ত সাগর পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজে বের করতে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি, উদ্ধার অভিযানকে গতিশীল করতে কোস্টগার্ড ছাড়াও সামরিক বিমান ও নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে একটি তদন্ত শুরু করেছে।

বাসিলান দ্বীপ প্রদেশের গভর্নর মুজিভ হাতামান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্ধারকাজের ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যায়, মিনদানোয়ার ইসাবেলা বন্দরে উদ্ধারকৃত যাত্রীদের নামিয়ে আনা হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অধিকাংশ জীবিত উদ্ধারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা উন্নত। তবে কিছু বয়স্ক যাত্রীর অবস্থা সঙ্কটজনক বলে তারা জরুরি চিকিৎসা সেবায় আছেন। উদ্ধারকার্য চলাকালীন, নিখোঁজদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করতে তাঁরা যাত্রীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করছে। উল্লেখ্য, প্রায় সাত হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ফিলিপাইনে নৌপথের ব্যবহার সাধারণ হলেও সেখানে প্রায়শই মারাত্মক নৌদুর্ঘটনার খবর শোনা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *