123 Main Street, New York, NY 10001

গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক অনন্য পারফরম্যান্স করে ভারত। নির্ধারিত ১৫৩ রানের লক্ষ্য মাত্র ১০ ওভারে (৬০ বল) পৌঁছে যায় স্বাগতিক দল, যেখানে তারা ৮ উইকেটের জয়ে উল্লেখযোগ্য জয় হাসিল করে। ড্রিংকস ব্রেকের আগেই এই অবিশ্বাস্য জয়ে ৫ ম্যাচের সিরিজে ভারতের অবশিষ্ট দুটি ম্যাচের আগেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে বাকি দুটি ম্যাচ রয়ে গেছে।

বক্তব্যের শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষের প্রথম বলে সাঞ্জু স্যামসনকে হারানোর খেই হারায় ভারত। তবে সেই ধাক্কা সামলে উজ্জ্বল আক্রমণে physi অভিষেক শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদব দ্রুতই চাপ সামলান। মাত্র ৩.২ ওভারে ৫৩ রান তুলে শুরু করেন ইশান কিষাণ। এরপর ১৩ বলে ২৮ রান করে ফিরে যান, তবে এই ক্ষতি অতিক্রম করে উইকেটে ঝড় তোলেন অভিষেক। তিনি যুবরাজ সিংয়ের (১২ বল) পর ভারতের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন। মাত্র ১৪ বলের ইনিংসে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই তরুণ ওপেনার। তার সাথে কৃপাধর্ম সূর্যকুমার যাদবও ছিলেন দুর্দান্ত। এই দুই ব্যাটার অবিচ্ছিন্ন ৪০ বলে ১০২ রান যোগ করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। অভিষেক ২০ বলে ৭ চার ও ৫ ছয়ে ৬৮ রান করেন, আর সূর্যকুমার ২৬ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে ৫৭ রান অপরাজিত থাকেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতীয় ব্যাটাররা শুরুতেই ভালো সংগ্রহের জন্য ব্যর্থ হন। জাসপ্রিত বুমরাহ এবং রবি বিষ্ণয়ের ধারালো বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ১৫৩ রানে আটকে যায়। শুরুতে ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড, নিজেদের জন্য কঠিন অবস্থা তৈরি হয়। এরপর মার্ক চাপম্যান ও গ্লেন ফিলিপস বড় সংগ্রহের চেষ্টা করেন, কিন্তু চাপম্যান ৩২ ও ফিলিপস ৩২ রান করেই ফিরে যান। পরবর্তীতে মিচেল স্যান্টনারের ২৭ রানের পর বলের কারণে বড় সংগ্রহের অবকাশ না পেয়ে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ৯ উইকেটে ১৫৩ রানে নেভে নিউজিল্যান্ড। ভারতের পক্ষ থেকে জাসপ্রিত বুমরাহ ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট আদায় করেন। রবি বিষ্ণয় ও হার্দিক পান্ডিয়া ২টি করে উইকেট নেন। বল হাতে নিউজিল্যান্ডকে আটকে রেখে, ব্যাটসম্যানদের আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্স ভারতকে এই স্মরণীয় জয় এনে দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *