123 Main Street, New York, NY 10001

গাজা নিয়ে চলমান সংকটের মধ্যে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনী গঠনের পরিকল্পনা আলোচনা চলছে, যেখানে পাকিস্তানি সেনাদের অংশগ্রহণের বিষয়ে মূলত আলোচনা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত এই বাহিনীতে পাকিস্তানি সেনাদের অন্তর্ভুক্তি হলেও, গাজায় এই সেনাদের উপস্থিতি চায় না ইসরায়েল।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী বা আইএসএফ-এ পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশের যোগাযোগ হয়েছে। তবে ইসরায়েল এই সেনাদের গাজায় রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে না।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যেখানে এগিয়ে যেতে হলে হামাসের ওপর কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, কারণ এর ব্যত্যয় আর কিছুই নয়। তারা বলেন, অনেক দেশই ইতোমধ্যে জানিয়েছে তারা সেনা পাঠাতে ইচ্ছুক নয়, কারণ তারা হামাসের সঙ্গে লড়াইয়ে আগ্রহী নয়, যা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এনডিটিভি এর বরাতে জানিয়েছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গাজায় যুক্ত থাকার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তখন রাষ্ট্রদূত দৃঢ়ভাবে বলেন, পাকিস্তান গাজা পরিস্থিতিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে না। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পাকিস্তান অর্থাৎ এই দেশের সেনা গাজায় থাকছে না।

পাকিস্তানের সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন, ‘প্রতিটি দেশ সাধারণত কেবল তাদেরকে সহযোগিতা করে, যারা তাদের সাথে বিশ্বাসযোগ্য কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। বর্তমানে পরিস্থিতি তেমন নয়।’

এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এর মাধ্যমে বোঝা যায়, ইসরায়েল গাজা পরিস্থিতির স্থিতিশীলকরণে পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখছে না।

প্রাসঙ্গিকভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে গত বছর অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চলছে, এবং এই শান্তির পরিকল্পনায় অন্যতম প্রধান দিক হলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোসহ বিভিন্ন দেশের সেনা নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক বাহিনী।

এই বাহিনীর কাজের মধ্যে রয়েছে গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামাসকে নিরস্ত্র করা, সীমান্তের Passage নিয়ন্ত্রণ, ও মানবিক ট্রান্সপোর্ট ও পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা। মার্কিন প্রশাসন যদিও গাজায় সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি, তবে তারা পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের সাথে এই ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে তারা এই বহুজাতিক বাহিনীতে অংশ নিতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *