123 Main Street, New York, NY 10001

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা ধরে রাখার জন্য লড়াই করে থাকা ম্যানচেস্টার সিটি যেন নিজেদের সেরাটা দিতে পারছে না। ঘরের মাঠ ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে ব্রাইটনের সাথে ১-১ গোলের ড্র করে তারা পয়েন্ট হারিয়েছে, তার আগের ম্যাচগুলোতে সান্ডারল্যান্ড ও চেলসির বিপক্ষে ইওর ড্র ছিলো। এই তিনটি ম্যাচে অপরাজিত থাকলেও পয়েন্টের খাতা আদতে বাড়াতে পারেনি গার্দিওলার দল। এতে তাদের লিগে টেকা-টুনার পরিস্থিতি কিছুটা অনিশ্চয়ে পড়েছে, যা শিরোপা দৌড়ে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। প্রথমার্ধে ম্যানসিটির হয়ে গোল করেন আর্লিং হালান্ড, যা তার জার্সিতে ১৫০তম গোলের নজির। এটি ছিলো এক অনন্য মাইলফলক, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাইটনের উইঙ্গার কাউরো মিটোমা নিখুঁত এক নিচু শটে গোল করে সমতা ফেরান। এর ফলে ম্যাচের ফলাফল হয় ড্র। শুরু থেকেই ব্রাইটন অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলে রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করে। গোলরক্ষক দোন্নারুমা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে থাকলেও, ম্যাচের প্রথমার্ধে কিছু সুযোগ নষ্ট হয়। ডিফেন্সের ভুলের জন্য প্রথমার্ধে পেনাল্টি পায় সিটি, যেখানে রেফারির সিদ্ধান্তে ভিএআর রিভিউয়ের পর হালান্ড গোল করলে লিড নেয় দল। বিরতির আগে ব্রাইটনের তিজানি রেইনডার্স আরও সুযোগ পেলেও ক্লিয়ার করে দেন ডিফেন্স। দ্বিতীয়ার্ধে সিটির আক্রমণ অনেক চেষ্টা করলেও সুযোগ পূরণে ব্যর্থ হয়। আর্লিং হালান্ড ও রায়ান চেরকি বেশ কিছু সহজ সুযোগ হেলায় হাতছাড়া করলে জয়সহরা দূরে থাক। নতুন বছরে গার্দিওলার জন্য এটা বেশ কঠিন সময়, কারণ তাঁর দলের তিন বড় ডিফেন্ডার—যশকো গাভার্দিওল, রুবেন দিয়াজ ও জন স্টোনস চোটের কারণে মাঠের বাইরে। এই দুর্বলতা রক্ষণ ও আক্রমণে স্পষ্ট, যা টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্সেনালের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। তারা যদি পরের ম্যাচে লিভারপুলকে হারাতে পারে, তবে সিটিকে পিছনে ফেলে শীর্ষে উঠতে পারে। শিরোপা ধরে রাখা এখন তাদের জন্য এক বড়ই চ্যালেঞ্জ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *