123 Main Street, New York, NY 10001

ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চালিয়েছে একটি অপ্রত্যাশিত ও শক্তিশালী সামরিক অভিযান। এই অভিযানে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে সরকারি বাহিনীর সেনাসদস্য ও অসংখ্য বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হতাহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ মারাত্মক আঘাতের কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। সরকারের এক ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, মার্কিন বিমান হামলায় ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং এই হামলার লক্ষ্য ছিল মূলত ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলো।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযানের কৌশলগত পরিকল্পনা ছিল, প্রথমে আকাশ থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট করে দেওয়া হবে, যাতে পরে সরাসরি পদাতিক সেনা নামানো সম্ভব হয়। এর জন্য আধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো মোতায়েন করা হয়, যারা ব্যাপক বোমাবর্ষণ চালিয়ে ভেনেজুয়েলার আকাশপথে নিরাপত্তা ভেঙে দেয়। আকাশপ্রতিরক্ষা সরঞ্জামগুলো ধ্বংসের পর, মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টারগুলো দ্রুতবেগে কমান্ডো বাহিনী নামায়, যারা মাদুরোর স্থাপনা ও স্থানের অবস্থা নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

গত শুক্রবার রাতে এই গোপনীয় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে শুধুমাত্র নিকোলাস মাদুরোই নয়, তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেন্সকেও আটক করে মার্কিন বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের জন্য চার দিন আগে সবুজ সংকেত দেন এবং এই ঘটনাকে একটি উত্তেজনাপূর্ণ টেলিভিশন শো এর সঙ্গে তুলনা করেন। তবে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন এখন পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। এই অভিযান দক্ষিণ মার্কিন অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *