123 Main Street, New York, NY 10001

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মাদক পাচার এবং তেল সংক্রান্ত বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সময় এবং কোনও স্থানে আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন চাইলে তিনি এই সংলাপে বসতে প্রস্তুত। বাংলাদেশের এই মন্তব্যটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে কারণ বর্তমানে মাদুরো সরকারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়ছে এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযান চলার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আলোচনায় মাদক পাচার, তেল সম্পদ এবং অভিবাসন বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

অন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩০টির বেশি নৌযানকে লক্ষ করে। যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘মাদকবিরোধী যুদ্ধের’ ফলে এখন পর্যন্ত ১১0 জনের বেশি ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ, ৩১ ডিসেম্বর, দুইটি নৌযানে মাদক বহনের অভিযোগে মার্কিন বাহিনী হামলা চালায়, যেখানে পাঁচজন নিহত হন। তবে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা এই অভিযানের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিআইএ পরিচালিত ড্রোন হামলায় ভেনিজুয়েলার একটি ডকিং ফ্যাসিলিটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ হয়েছে। মাদুরো এই হামলার সত্যতা বা অস্বীকার না করলেও কয়েক দিন পরে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভেনিজুয়েলা ও ইরান থেকে নিষেধাজ্ঞাভুক্ত তেল পরিবহনে ব্যবহার হয় এমন ট্যাংকার। ১০ ডিসেম্বর, এক তেলবাহী জাহাজ জব্দের ঘটনায় ভেনিজুয়েলা তাকে ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

এছাড়া, ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, মাদুরো তার দেশের কারাগার ও মানসিক স্বাস্থ্যের বন্দিদের জোরপূর্বক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এই অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু বিবিসি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জব্দকৃত বা হামলার শিকার নৌযানগুলোতে মাদক থাকার দৃঢ় কোনও প্রমাণ তারা উপস্থাপন করতে পারেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *