123 Main Street, New York, NY 10001

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কোচিং প্যানেলে নতুন বছরে বড় ধরনের পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ ঘোষণা করা হয়েছে। সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক ও অভিজ্ঞ গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য্য আবারও ফেডারেশনের কোচ হিসেবে যোগদান করছেন। এরআগে তিনি বাফুফের অধীনে জাতীয় নারী ও পুরুষ দলের পাশাপাশি একাডেমিতে গোলরক্ষকের কোচ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। কিছু সময়ের জন্য তিনি ক্লাব কোচিংয়ে মনোযোগ দেন বলে ফেডারেশন থেকে বিদায় নেন, তবে দুই বছরের বিরতির পর আবারও পুরনো কর্মস্থলে ফিরে এসেছেন। বিপ্লবের পাশাপাশি, নতুন বছর উপলক্ষে বাফুফে আরও তিন জন নতুন কোচকে নিয়োগ দিয়েছে। তারা হলেন, সাবেক ফুটবলার আতিকুর রহমান মিশু, আকবর হোসেন রিদন, এবং নারী ফুটবলার লিনা চাকমা। আতিকুর মিশু এর আগে ফর্টিজ ও ব্রাদার্স ইউনিয়নে সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন এবং প্রত্যক্ষ ফুটবলেও মনোযোগী হওয়ার জন্য বাফুফেতে যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে, এ লাইসেন্সধারী লিনা চাকমাকে ফেডারেশন নারী ফুটবল ও ফুটসাল—দুটো ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে চায়। 

কোচিং প্যানেলে নতুন নিয়োগের পাশাপাশি, পুরনো কোচরাও রয়েছেন সক্রিয় অবস্থানে। বাফুফে একাডেমির প্রধান কোচ গোলাম রব্বানীর চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হলেও, ফেডারেশন তার চুক্তি আরও এক বছর বাড়িয়েছে। একইসাথে, ২০২৫ সালে কর্মরত ২১ জন কোচের চুক্তিও এক বছর করে নবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে, ২০২৬ সালে বাফুফে কোচের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫ জন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো, ফিফা ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) থেকে প্রাপ্ত অনুদানের অধিকাংশ অর্থ দেশের কোচদের পারিশ্রমিক ও উন্নতিতে ব্যয় করা। এএফসির নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই পরবর্তী বছরের কোচদের তালিকা কেন্দ্রীয়ভাবে পাঠাতে হয়, যা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। 

তবে, এত সংখ্যক স্থানীয় কোচ থাকা সত্ত্বেও, ফুটবল অঙ্গনে কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্টের বাছাইপর্বে বাফুফের বাইরে থেকে বিকেএসপি’র কোচ ইমরুলকে সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সমালোচকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, যতই স্থানীয় কোচের পৃষ্ঠপোষকতা করা হোক না কেন, কেন এই বয়সভিত্তিক দলে যোগ্য সহকারী কোচ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। প্যানেলভুক্ত বেশিরভাগ কোচেরা যদি এই পদের জন্য উপযুক্ত না হন, তবে এই বিনিয়োগের সঠিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হচ্ছে। এই সব সীমাবদ্ধতা আর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে, দেশের ফুটবলকে উন্নত করতে মূল লক্ষ্য হলো কোচদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের ফুটবল মানোন্নয়ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *