123 Main Street, New York, NY 10001

বাংলাদেশের রাজনীতির মহীয়সী একজন প্রতীকের নাম বেগম খালেদা জিয়া। স্বাধীনতার মহান ঘোষক এবং দেশের অবিসংবাদিত নেতা জিয়াউর রহমানের অকাল মৃত্যু তাঁর জীবনে একটি মোাহময় অধ্যায় সৃষ্টি করে। সেই সময় তিনি একজন সাধারণ গৃহিণী হলেও সময়ের দাবি অনুযায়ী তিনি পরিণত হন দেশের গণতন্ত্রের রক্ষক, দলের নেতৃত্বধারী এবং কোটি মানুষের আশ্রয়স্থলে। এই রূপান্তরটি ছিল দায়িত্ববোধ, সাহস ও ইতিহাসের পরিচয়। তিনি অধিকারবঞ্চিত নারীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তাঁর দ্বারাই প্রমাণিত হয়, নেতৃত্ব একমাত্র ক্ষমতা নয়, বরং দায়িত্ব, সাহস ও ন্যায়ের লড়াই। মহিয়সী এই নেত্রী শক্তি, সহনশীলতা এবং মানবিকতার এক অনন্য সংমিশ্রণ। সরকারি নিপীড়নের মুখেও তিনি ধৈর্য্য হারাননি, বরং নীরব থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তার প্রযুক্তিতে তিনি দেখিয়েছেন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব হৃদয় ও মানবিকতা দিয়ে গড়ে ওঠে। তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর প্রতি তাঁর মমতা ছিল এক সাধারণ মায়ের মতো, কিন্তু যখন দেশের জন্য প্রয়োজন পড়ে, তখন তিনি নিজের ব্যক্তিগত প্রেম-ভালোবাসা অতিক্রম করে জাতির জন্য প্রতিবাদ ও সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরিবারে অমানবিক অত্যাচার সহ্য করেও তিনি জাতির স্বার্থে নিজেকে নিবেদিত করেছেন। এই সহনশীলতা ও সাহসই তাঁকে দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পরম প্রতীক করে তুলেছে। বর্তমান সময়ের মধ্যে তিনি বিভিন্ন শারীরিক অস্বস্তিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই পরিস্থিতি দেশের মানুষের জন্য গভীর বেদনার ও দগদগে ক্ষতির। তবে তিনি আমাদের স্বপ্ন এবং সংগ্রামের এক অবিচল পথিকৃৎ। তার শক্তি ও আদর্শ আজো আমাদের পথ দেখায়। তাঁর অসুস্থতা দেশের জন্য এক অপ্রতিরোধ্য ক্ষতি হলেও, তাঁর সাহস, ধৈর্য এবং সংগ্রামী চেতনা আমাদের চির সুখের প্রেরণা হিসেবে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *