123 Main Street, New York, NY 10001

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দীর্ঘদিনের দুর্নীতি মামলার জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে বাধা হয়ে উঠছে এমন চলমান ফৌজদারি মামলার জন্য তিনি এই আবেদন করেছেন। তিনি মনে করেন, দেশের স্বার্থের জন্য তার ক্ষমা করা উচিত।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, জালিয়াতি, প্রতারণা এবং বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে তিনি সবসময়ই তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

প্রেসিডেন্টের দপ্তরে পাঠানো এক চিঠিতে তার আইনজীবীরা বলেছেন, তারা বিশ্বাস করেন, আদালতের সিদ্ধান্তের পর নেতানিয়াহু সম্পূর্ণরূপে খালাস পাবেন।

বলা হয়, লিকুদ পার্টির এক কর্মকর্তা একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তায় বলেছেন, আজ আমার আইনজীবীরা প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন পাঠিয়েছেন। তিনি আরও যোগ করেন, দেশের জন্য যা ভালো, সেজন্য যে কেউ এই পদক্ষেপকে সমর্থন করবেন বলে তিনি আশা করেন।

প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্‌জগের দপ্তর থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশেষ আবেদন। সকল মতামত বিবেচনা করে প্রেসিডেন্ট দায়িত্বের সাথে সিদ্ধান্ত নেবেন।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার রায় এখনো দেয়া হয়নি। সাধারণত আদালত রায় ঘোষণার পর প্রেসিডেন্ট ক্ষমা ঘোষণা করতে পারেন। তবে নেতানিয়াহু রায়ের আগেই ক্ষমা চাইয়ার ঘটনা ও বিরল বলে গণ্য।

তিনটি আলাদা মামলায় নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, যেগুলোর মধ্যে একটি হলো ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ। প্রত্যেক মামলায় জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অপবাদও যুক্ত। নেতানিয়াহুর বিচার ২০২০ সালে শুরু হলেও এখনো বিচার কাজ শেষ হয়নি।

এদিকে, চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হার্‌জগকে লিখে বলেন, নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তিনি বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবী করে আসছেন। এই চলমান পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর এই ক্ষমা চাওয়া একটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *