123 Main Street, New York, NY 10001

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সংবিধানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসার কারণে এখন থেকে ভোটের সময় দিন ও রাতের বিভাজন থাকবে না। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) আপিল বিভাগের দৃষ্টিতে এই রায় দেওয়ার পর তিনি নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা দেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি সহায়ক সংস্থান হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ফলে মানুষ এখন নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে। ফলে এখন থেকে কখনো দিন কিংবা রাতে ভোট হবে না, এবং মৃত্যু মানুষও এসে ভোট প্রদান করতে পারবে না। তিনি আরও যোগ করেন, পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল হয়েছিল। হাইকোর্ট এই সংশোধনীকে অসাংবিধানিক বলে আখ্যায়িত করেছে এবং মনে করে, এই সংশোধনী একটি অসৎ উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মেশন বা গঠন পক্ষে- বিরোধে ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে না, কারণ রায়টি যে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তা পূর্বের অবস্থানে ফিরে গেছে। অ্যাটর্নি জেনারেল উল্লেখ করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোন ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন বা বাইবেল নয়। এই রায়ের ফলে এমন কিছু আনবে না যা এ ধর্মীয় গ্রন্থগুলির সঙ্গে সমান হয়ে যাবে। ভবিষ্যতে যদি মানুষ মনে করে এই ব্যবস্থা ব্যবহারে চেইন ভেঙেছে বা অবনতি হয়েছে, তাহলে পার্লামেন্টে আলোচনার মাধ্যমে निर्णय নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আপিল বিভাগ তার আগের রায়কে কলঙ্কিত বলে মন্তব্য করেছে। এর জবাবে বলেন, সে রায় বাতিল করার কারণগুলো দেখিয়েছি। এর মধ্যে একটি ছিল, রায় লেখার সময় খায়রুল হক ও তার সহযোগীরা দণ্ডবিধি ২১৯ ধারায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছেন। মুখে রায় দেওয়া মানে রায় হয়ে যায়, যদিও তা আইনিভাবে পরিবর্তনের জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি ছিল। তারা চাইলে রিভিউ বা অন্য কোন আইনি প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন করতে পারতেন, কিন্তু মুখের রায়ের ভিত্তিতে সেটা প্রাধান্য দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ১৫তম সংশোধনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের যে অংশটি ছিল, সেটাও আপিল বিভাগের কাছে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। তদন্তের প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল উল্লেখ করেন, এই রায়টি রাজনৈতিক অবস্থা নির্ভর করে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, এবং পরবর্তীতে এর পুনর্বহাল হলে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাবে। তবে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি একটি আইনি রায়, যা রাজনৈতিক নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *