123 Main Street, New York, NY 10001

ইরান বর্তমানে সামরিক ও অবকাঠামোগত ক্ষতি কাটিয়ে উঠে আবার এর মোকাবিলা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার ফলে দেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ও নেতারা নিহত হলেও, বছরের পরিকল্পিত ও সুপরিকল্পিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণেই তাদের মিসাইল ও ড্রোন সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলা পূর্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো যায়। তবে, এই সমর্থন ও প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপের কারণে ইরান এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং তারা তাদের সামরিক জোরদারকরণ অব্যাহত রেখেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ইরানের এই প্রস্তুতি তাকে যুদ্ধের জন্য আরও সুদৃঢ় অবস্থানে রাখবে, যেন তারা পরবর্তী সময়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। একদিকে, দেশের সামরিক সরঞ্জাম ও মিসাইলের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখায় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সেগুলো ধ্বংস করা এখনো চ্যালেঞ্জের বিষয়। অন্যদিকে, ইরানের সামরিক প্রস্তুতিতে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকা ড্রোন ও মিসাইলের বৃহৎ শেল্ফ এখনো সক্রিয়। পশ্চিমা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশের সামরিক সক্ষমতা এখনো বেশ শক্তিশালী ও পরিপূর্ণ। ইসরায়েলের সঙ্গে গত বছরকার ১২ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে ইরানের নেতারা প্রাদেশিক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণ করেছেন, যাতে দ্রুত ও স্বতন্ত্রভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করা যায়। এর ফলে, দেশের একজন শীর্ষ কমান্ডার বা সাবেক নেতা হলে তাদের প্রতিস্থাপন ও প্রতিক্রিয়া দেওয়া আরও সহজতর হয়। তবে, এই সব পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিসত্ত্বেও ইরান এখনো বড় অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। কিছু দায়িত্বশীল বিশ্লেষকরা মনে করেন, চলমান যুদ্ধ ও সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করায় মূলতঃ এই ক্ষতি অনেকাংশে ঝরে পড়েছে। পশ্চিমের সামরিক সূত্র বলছে, ইরানের হাতে এখনো হাজার হাজার পরিমাণ মিসাইল ও ড্রোন রয়েছে, যা অঞ্চল জুড়ে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুত। ইরান নিজের মিসাইল লাঞ্চার ও ড্রোন অবকাঠামো দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে দিয়েছে, আর নিয়মিতভাবেই এগুলোর অবস্থান পরিবর্তন করছে, যাতে দ্রুত ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ে। এরকম পরিস্থিতির মধ্যে, মার্কিন ও পশ্চিমা সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের এই ক্ষমতা অনেকটাই নিরপেক্ষ। গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের পর, তাদের সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনায় এই দেশের সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী ও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার সক্ষমতা লাভ করেছে। তবে, এই বিষয়গুলো এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল না হলেও, ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও লক্ষ্য অর্জনের আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *