123 Main Street, New York, NY 10001

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে জার্মান দল বায়ার্ন মিউনিখ। মঙ্গলবার রাতে স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদ যেখানে তাদের ঘরোয়া মাঠে প্রচুর প্রত্যাশা নিয়ে নামছিল, সেখানে বায়ার্ন একটি অসাধারণ জয় ছিনিয়ে নেয়। এই ম্যাচে বায়ার্ন ২-১ গোলের কাছাকাছি জয় লাভ করে, এর মাধ্যমে তারা দীর্ঘ ১৪ বছর পর রিয়ালের বিপক্ষে জয় পেল এবং ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালের দৌড়ে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলল। ২০১১-১২ মৌসুমের পর এই প্রথম বায়ার্ন আবার রিয়ালকে হারানোর স্বাদ পেল, যা তাদের জন্য এক বিশাল ঘুরে দাঁড়ানোর মুহূর্ত। এটি নিশ্চিতভাবে বায়ার্নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক অর্জন, তার সাথে তারা নিজেদের আত্মবিশ্বাসও আরও বাড়িয়ে নিয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে বায়ার্ন। তারা মাঠে আধিপত্য বিস্তার করে দর্শকদের চমকে দেয়। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে লিভারপুলের দুই সাবেক খেলোয়াড়ের সুন্দর সহযোগিতায় প্রথম গোল করে বায়ার্ন। কলম্বিয়ান তারকা লুইস দিয়াজ সার্জে গ্যানাব্রির নিখুঁত পাস থেকে বল জালের নেটের মধ্যে ঠেলে দেন, এর ফলে তারা 1-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। বিরতির পর যখন মনে হচ্ছিল রিয়াল হয়তো খেলায় ফিরবে, তখনই হ্যারি কেনেন ৫২ ভাগ সময় বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাদের জন্য বড় ধাক্কা দেন। তিনি ডি-বক্সের কোণে এক দুর্দান্ত শট নেন, এবং এই গোলের মাধ্যমে নিজের চ্যাম্পিয়নস লিগের মৌসুমের ৪৯তম গোল করে ফেলেন। ইনজুরির কারণে কিছুটা সংশয় থাকলেও, কেন পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রমাণ করেন তিনি এখনও শক্তিশালী।

রিয়াল পাল্টা বিপক্ষের কাঠিন্য ভাঙার চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেনি। তারা অনেক শট নিও, যার মধ্যে ছিল লক্ষ্যভেদী ১০টি। তবে তাদের গোলের জন্য সবসময় ভয়ঙ্কর ছিল জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নেয়ার। কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ভিনিসিয়ুসের বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোলের প্রচেষ্টাও তিনি দক্ষতার সঙ্গে রুখে দেন। তবে ৭৪তম মিনিটে ফরাসি স্ট্রাইকার এমবাপ্পে একটি গোল করে রিয়ালের ক্ষুদে আশা জাগান। ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের সুন্দর ক্রস থেকে বল পেয়ে, নেয়ারকে পরাস্ত করে এই গোল করেন এমবাপ্পে। ম্যাচের বাকী সময় রিয়াল সমতা আনার জন্য মরিয়া হয়ে লড়লেও বায়ার্নের রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তারা ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

খেলার শেষের দিকে হ্যারি কেন জানান, দলের সবাই এক হয়ে কঠিন লড়াই করেছে, যদিও গোলের সুযোগ আরও থাকলেও বার্নাব্যুর মতো কঠিন মাঠে জয় অর্জন একটা বড়Achievement। আগামী সপ্তাহে পরের লেগে বায়ার্নের লক্ষ্য হবে নিজেদের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় হারিয়ে দিয়েই সেমিফাইনালে পৌঁছানো। রিয়ালের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই হারে ঘুরে দাঁড়ানোর, আর সেই জন্য তাদের একদম অলৌকিক কিছু ঘটাতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *