123 Main Street, New York, NY 10001

ক্লাব ও জাতীয় দলে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মাঝেও দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন

নেইমার জুনিয়র। একটি অ্যাসিস্টসহ আরেক গোলেও অবদান রেখে সান্তোসকে ২-০ ব্যবধানে জয়

এনে দেন তিনি।

ক্লাব দে রেমোর বিপক্ষে এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ম্যাচ শেষে হলুদ কার্ডের

কারণে পরবর্তী ম্যাচে খেলতে পারবেন না এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পেতে শতভাগ ফিটনেসের শর্ত দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো

আনচেলত্তি। সেই লক্ষ্যেই নিজেকে প্রমাণ করতে নিয়মিত খেলছেন নেইমার, আর এই ম্যাচেও

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলেন তিনি।

তবে ৮৬ মিনিটে তৃতীয় হলুদ কার্ড দেখায় পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ হন নেইমার। এতে

পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ফিটনেস দেখানোর সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি।

সান্তোসের পরবর্তী ম্যাচটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে হওয়ায় সেটি

নেইমারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হতে পারত।

ম্যাচের এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় দিয়েগো হার্নান্দেজের কঠোর ফাউলের পর

উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় দুপক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও দেখা যায়। পরে

রেফারি সাভিও পেরেইরা নেইমারকে হলুদ কার্ড দেখান।

রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নেইমার বলেন, ‘রেফারির আচরণ রীতিমতো

অশ্রদ্ধার পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। সে ম্যাচের তারকা হতে চায়। খেলোয়াড়দের প্রতি তার

আচরণ মোটেও সম্মানজনক নয়। কারও কথা শুনতে চায় না। সবখানে আধিপত্য বজায় রাখতে চায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কৌশল শিখতে হবে। আমাকে পেছন

থেকে ফাউল করা হয়েছে। কোনো দরকার ছিল না। আর ওটাই প্রথম ফাউল নয়, তৃতীয় কিংবা

চতুর্থ ফাউল। আমি তার কাছে অভিযোগ করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেছি। এটা অন্যায়’

ম্যাচে সান্তোসের দুই গোলেই সরাসরি ভূমিকা ছিল নেইমারের। প্রথমার্ধের ৪০ মিনিটে তার

বাড়ানো বলে গোল করেন মিডফিল্ডার থাসিয়ানো। পরে ৮২ মিনিটে তার তৈরি করা আরেকটি

আক্রমণ থেকে গঞ্জালো এসকোবার হয়ে বল পেয়ে গোল করেন ময়জেস। এই জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ১০

পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের ১৩ নম্বরে অবস্থান করছে সান্তোস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *