123 Main Street, New York, NY 10001

ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনাটি নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি দাবি করেছেন যে দেশটির সবচেয়ে বৃহত্তম সেতু ভেঙে পড়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা চালানো হয়, যা ইরানের কারাজ এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম উঁচু বি-১ সেতুকে লক্ষ্য করে করা হয়। এই হামলায় কমপক্ষে আটজন নিহত ও ৯৫ জন আহত হয়েছেন।

আলব্রোজ প্রদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই হামলার ফলে সেতুটির মধ্যভাগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষায়, এটি মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ উচ্চতার সেতু, যা শহর ও অঞ্চলগুলোর মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ রুট ছিল।

এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়ে বলেছেন, “বেসামরিক অবকাঠামোর উপর হামলা হলো একটি অগোছালো শত্রুতার পরাজয় এবং নৈতিক পতনের লক্ষণ।” একই সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেছেন, “নাগরিক স্থাপনা বা সেতু ধ্বংসের মাধ্যমে নাকি ইরানির স্বপ্ন ও আত্মসম্মানকে আন্দোলিত করা যাবে না।”

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেতুটিতে বুধবার দু’ দফা হামলা চালানো হয়, যার ফলে এর বড় অংশ ধসে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচুর ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুর বিশাল অংশ ভেঙে নিচে পড়ে গেছে, বিশেষ করে মাঝামাঝি অংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই সেতুটি নির্মাণাধীন ছিল, উদ্দেশ্য ছিল তেহরান ও কারাজের মধ্যে যানজট কমানো ও উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সহজ করা। এই হামলার ফলে ট্রাফিক ব্যবস্থা ও যোগাযোগে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *