123 Main Street, New York, NY 10001

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলার পরও ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি বলে নতুন মূল্যায়নে উঠে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হামলা চালানো সত্ত্বেও ইরানের প্রায় অর্ধেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এখনো অক্ষত রয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনও সচল রয়েছে, পাশাপাশি হাজার হাজার ড্রোন তাদের অস্ত্রভাণ্ডারে সংরক্ষিত রয়েছে, যা সামরিক ক্ষমতার অটুট থাকার প্রমাণ। তবে কিছু লঞ্চার কার্যক্ষমতা হারিয়েছে, কারণ বিমান হামলার ফলে সেগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে গেছে এবং অপ্রবেশযোগ্য হয়ে পড়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ভাষণে দাবি করেছিলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু এই নতুন মূল্যায়ণ সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে, যা ইসরাইলের গত মার্চে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলছে না। তখন ইসরাইল জানিয়েছিল, ইরানের মোট ৪৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ধ্বংস বা অকার্যকর। তবে মার্কিন গোয়েন্দাদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, অনেকগুলি লঞ্চার এখনো অক্ষত এবং ব্যবহারযোগ্য, যার মানে ইরানের সামরিক ক্ষমতা এখনও অনেক শক্তিশালী। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করে, হামলার পর প্রায় ২০০টি লঞ্চার ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ৮০টি কার্যক্ষমতা হারিয়েছে, যেগুলো ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় ছিল। অন্যদিকে, মার্কিন সূত্র বলছে, ইরানের কাছে এখনো বিপুলসংখ্যক আক্রমণাত্মক ড্রোন মজুত রয়েছে, যা কখনোই প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে। এক সূত্র সতর্ক করে বলেছে, ইরান এখনও ‘পুরো অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর সক্ষমতা রাখে’। তবে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন এই প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু অস্বীকার করেছে। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্রের অভিযোগ, এ ধরনের তথ্য ফাঁসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ অভিযানের সাফল্যকে খাটো করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *