123 Main Street, New York, NY 10001

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট কাটাতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দ্রুত তেল আমদানির

অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (১৪ মার্চ) সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে

সরকারের কাছে এই প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও মন্ত্রণালয়ের

‘বাস্তবতা-বিবর্জিত’ রেশনিং প্রক্রিয়ার কারণে নতুন সরকারকে জনগণের কাছে তীব্র

সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, বিপিসির চেয়ারম্যানসহ কিছু কর্মকর্তা জ্বালানি সচিবকে ভুল তথ্য

দিয়ে অংশীজনদের সাথে আলোচনা ছাড়াই গত ১০-১২ দিন ধরে সারাদেশে জ্বালানি তেলের

কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। সরকারি ছুটির দিনে ডিপো খোলা রেখে রেশনিংয়ের মাধ্যমে

স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করা হয়েছে, যা ‘প্রতারণামূলক কাজ’।

মালিক সমিতির দাবি, সব ডিপোতে তেল সংরক্ষণের পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এদিকে তেলবাহী

জাহাজ জেটিতে অপেক্ষায় থাকলেও পাম্পগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।

ফলে পাম্পে তেল পৌঁছানোর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকার কথা বলা হলেও

বাস্তবে ডিলাররা সংকটে রয়েছেন। ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতার একটি ট্যাঙ্কলরি

২০০-২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ডিপোতে গিয়ে মাত্র ৪ থেকে ৬ হাজার লিটার তেল

পাচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সরকার নির্ধারিত অভিন্ন

মূল্যে তেল বিক্রি করতে হওয়ায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় সমন্বয়ের কোনো সুযোগ থাকছে না।

সংগঠনটির মতে, গত ১০-১২ দিনের এই ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা সম্ভব নয় এবং এর প্রভাব

আগামী এক মাস পর্যন্ত থাকতে পারে। তাই ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত জ্বালানি

সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বিবৃতিতে আরও প্রস্তাব করা হয়, সরকার যদি পর্যাপ্ত তেল আমদানিতে সময় নেয় বা অপারগ

হয়, তবে সক্ষম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে দ্রুত আমদানির অনুমতি দিয়ে বিপিসিকে তেল সরবরাহ

করা যেতে পারে। এতে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *